মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট

কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট 

আমরা সবাই চাই আমাদের ব্লগটাকে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করতে । এজন্য নতুন কোন কিছু কোথাও দেখলে অনেকের ইচ্ছা জাগে আমার প্রিয় ব্লগটাতে আমি ও যদি ব্যবহার করতে পারতাম নতুন কিছু। হ্যা সবকিছু সম্ভব প্রয়োজন চেষ্টা ।অনেক কাজ একবার হয় কোনটা আবার একের অধিকবার। আর একজন খুদে এবয় নতুর  ব্লগার হিসেবে আপনাদের কাছে ছোট একটা টিউন তুলে ধরার চেষ্ট করলাম।চলুন শুরু করা যাক।
কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট
এ্যানিমেটেড লেভেল তৈরী করলে আপনার সাইটে কেউ ভিজিট করলে সে যদি ঐ লেভেলের উপর কারছর রাখে তবে সেটি এ্যানিমেট  হবে। চলুন কীভাবে পব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট তার নির্দেশিকা দেখে নি।
ব্লহের ড্যাশবোর্ডে যান> লেঅউটে যান> এডিট এইচ টি এম এল এ যন> এবার Ctrl+F  চাপুন দেখবেন বক্সের বামপাশে সার্চ বক্স ওপেন হয়েছে। ঐ ঘরে
]]> </ b: skin>  এই কোডটি লিখে ইন্টার করুন।  ]]> </ b: skin> এই কোর্ডটি পেলে ঠিক এর পরেই নিচের কোডটি কপি করে পেষ্ট করে দিন।
<b:widget id='Label99' locked='false' title='Labels' type='Label'>
<b:includable id='main'>
<b:if cond='data:title'>
<h2><data:title/></h2>
</b:if>
<div class='widget-content'>
<script src='http://halotemplates.s3.amazonaws.com/wp-cumulus-example/swfobject.js' type='text/javascript'/>
<div id='flashcontent'></div>
<script type='text/javascript'>
var so = new SWFObject(&quot;http://halotemplates.s3.amazonaws.com/wp-cumulus-example/tagcloud.swf&quot;, &quot;tagcloud&quot;, &quot;240&quot;, &quot;300&quot;, &quot;7&quot;, &quot;#ffffff&quot;);
// uncomment next line to enable transparency
//so.addParam(&quot;wmode&quot;, &quot;transparent&quot;);
so.addVariable(&quot;tcolor&quot;, &quot;0x333333&quot;);
so.addVariable(&quot;mode&quot;, &quot;tags&quot;);
so.addVariable(&quot;distr&quot;, &quot;true&quot;);
so.addVariable(&quot;tspeed&quot;, &quot;100&quot;);
so.addVariable(&quot;tagcloud&quot;, &quot;<tags><b:loop values='data:labels' var='label'><a expr:href='data:label.url' style='12'><data:label.name/></a></b:loop></tags>&quot;);
so.addParam(&quot;allowScriptAccess&quot;, &quot;always&quot;);
so.write(&quot;flashcontent&quot;);
</script>
<b:include name='quickedit'/>
</div>
</b:includable>
</b:widget>
সেভ টেমপ্লেট এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। কাজ শেষ।

ব্লগস্পট ব্লগে যোগ করুন ফেসবুক কমেন্ট বক্স

ব্লগস্পট ব্লগে যোগ করুন ফেসবুক কমেন্ট বক্স 

আশা করি সবাই ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে । পড়াশোনার জন্য চুয়াডাঙ্গার বাহিরে থাকা হয় বলে নিয়মত পোস্ট দেওয়া হয়ই না । এবার কাজের কথাতে আসি আমাদের অনেকেয় সহজে ব্লগিং এর জন্য ব্লগস্পট ব্যবহার করে থাকি । কেননা ব্লগস্পট ব্যবহার করা জুমলা বা ওয়ার্ডপ্রেস এর চেয়ে অনেক সহজ । সোজা কথাই ব্লগিং এর জন্য ব্লগস্পট সেরা ।
আজকে আপনাদের সাথে এই ব্লগস্পটের একটা মজাদার ট্রিক্স শেয়ার করব । আমি শেখাব কিভাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার ব্লগস্পট ব্লগে ফেসবুক কমেন্ট বক্স যোগ করবেন । ব্লগে কমেন্ট বক্স যোগ করলে যে কেও সহজে কমেন্ট করতে পারে । এতে আপনার ব্লগে ভিজিট করতে সাছন্দ বোধ করবে সবাই । এছাড়া কমেন্ট করার সাথে সাথে কমেন্টর এর ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার হয়ে যাবে পোস্ট টি । এতে ভিসিটর বাড়বে আপনার ব্লগে , এতে কোন সন্দেহ নেই ।
যেভাবে যোগ করবেন –
১. প্রথমে আপনার ব্লগস্পট ব্লগে সাইন ইন করুন । ড্যাশবোর্ড এ যেয়ে Design মেনুতে ক্লিক করুন ।
২. তারপরে Edit Html এ ক্লিক করুন ।
৩. Expand widget template এর ঘরে টিক চিহ্ন দিএ দিন
৪. এরপর ctrl+F চাপুন । এবং এই কোড টি সার্চ করুন <data:post.body/>
৫. যখন পেয়ে যাবেন তখন উক্ত <data:post.body/> কোড টির নিচে নিম্নক্ত কোড টি কপি করে পেস্ট করুন ।
<h3>Post Comment</h3>
<div id=’fb-root’/><script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1’/><fb:comments expr:href=’data:post.url’ num_posts=’5′ width=’500’/>
সংক্ষেপে -
Sign in to your blogspot blog> Design > Edit Html > mark expand widget template.
Now Find this html code in your template by pressing  ctrl+F    .
<data:post.body/>
এখন নিচের কোড টি ঠিক <data:post.body/> এর নীচে Paste করুন।
<h3>Post Comment</h3>
<div id=’fb-root’/><script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1’/><fb:comments expr:href=’data:post.url’ num_posts=’5′ width=’500’/>
তারপরে সেভ করে ফেলুন । ব্যাস কাম কমপ্লিট । ধন্যবাদ আপনাকে

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৫

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক 

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আজ আপনাদের জন্য রয়েছি খুবই প্রয়োজনীয় কয়েকটি ই-বুক। আশা করি এই বই গুলো আপনাদের কাজে আসবে ও আপনাদের ভাল লাগবে। নিচে লিংক দেয়া আছে পচন্দ মতো ডাউনলোড করে নিন।

Microsoft Office 2010: Ultimate Tips and Tricks by Matt Smith

বইটি লেখা হয়েছে মাইক্রোসফট অফিস ২০১১ এর উপর। এর সকল ধরনের টিপস সহ ব্যবহারবিধি পাবেন এখানে। বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা ৩০টি, সাইজ ২.১ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Windows Small Business Server 2011 Administrator’s Companion

বইটির প্রকাশনা করেছে মাইক্রোসফট, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা সংখ্যা ৮৩২টি, সাইজ ২১.৯১ মেগা বাইট।
ডাউনলোড লিংক অথবা ডাউনলোড লিংক

Python Testing Cookbook By Greg L. Turnquist

এই বইটি কোন রান্না শিখার বই না। এটি হল পাথোন এর উপর লেখা একটি বই। এই বইটিতে যুক্ত করা হয়েছে কোডের সর্ববৃহত কালেকশান। এটি পাথোন এর উপর একটি ফাটাফাটি বই, খুবই সহজ ভাষায় এই বইটি লেখা হয়েছে। যাতে করে আপনি সহজেই সব কিছু বুঝতে পারেন ও শিখতে পারেন। বইটি প্রকাশ করেছে Pa.ck.t, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতার সংখ্যা ৩৬৪টি, সাইজ মাত্র ৯ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Algebraic Geometry 1: From Algebraic Varieties to Schemes

এবারের বইটি একটি মূল্যবান বই বলা যায়। অনেক আগের এই বইটি। এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে, বইটির সাই্জ মাত্র ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Theory of Laminated Plates

বইটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এর পাতা সংখ্য ১৫৩টি, সাইজ ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Function Fields and Moduli of Algebraic Varieties

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৭ সালে, পাতা সংখ্য ১৫৫, সাইজ ২ মেগা বাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Algebraic Groups of Finite Dimension

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ১৬১টি, সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Complex Algebraic Curves

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ২৭৬, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Mathematical Logic (Undergraduate Texts in Mathematics)

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালে, পাতা সংখ্যা ২২৫টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

J-Holomorphic Curves and Quantum Cohomology

বইটির প্রকাশ কাল ১৯৯৪ সাল, পাতা সংখ্যা ২০৯, সাইজ ২ মেগাবাই্ট।

ডাউনলোড লিংক

Enriques Surfaces I

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে, এতে পাতা রয়েছে ৩৯৭টি, সাইজ হল ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Computational Aspects of Commutative Algebra

এই বইটিরও প্রকাশ কাল ১৯৮৯ সাল। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৫৪টি, সাইজ ২ মেগাবাইট

ডাউনলোড লিংক

Windows Phone 7 Recipes: A Problem-Solution Approach

এই বইটি আবার নতুন সংরক্ষণ। প্রকাশ কাল ২০১১, পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৬৮টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Rigid Local Systems

এই বইটি মোটামুটি পুরাতন, ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। পাতার সংখ্যা ২৩২টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Operator Functions and Localization of Spectra

এই বইটির বেশি আগের নয়, প্রকাশ কাল ২০০৪ সাল। পাতার সংখ্যা ২৭০টি, মেগাবাই্ট হল ২।

ডাউনলোড লিংক

Python 3 Web Development Beginner’s Guide

এই বইটি নতুন ২০১১ সালের। এটি প্রকাশ করেছে Pa,c,kt Publis,hing, পাতা সংখ্যা ৩৩৬টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

  • WUpLoad
  • FileSonic
প্রত্যেকটি বইয়ের আলাদা আলাদা লিংক দেয়া হল, যাতে সহজে ডাউনলোড করা যায়। আর বইগুলো অনেক মূল্যবান। তাই যত্ন করে রাখবেন, যদি আপনার কাছে ভাল লাগে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ….

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার 

আমার প্রথম টিউন এটি টিউনার পেজে। আশা করি ভাল না লাগলেও খারাপ লাগবে না। টিউনটি আমি আমার নিজের বানানো ছোট্ট একটি সফটওয়্যার সি সি ওয়েব মাস্টার নিয়ে করেছি। যারা নতুন ব্লগিং করেন বা যারা নতুন ওয়েব ডেভেলপার তাদের কাজে আসবে এটি অনেক। তাছাড়া এটি আপনার সময় বাঁচাবে।
এই সফটওয়্যার এ যা থাকছে-
  • ফ্লাশ এমবেড
  • লিংক মেকার
  • এড ইমেজ

ফ্লাশ এমবেড

আমারা অনেক সময় সাইটে ফ্লাশ ফাইল এড করে থাকি। অনেকে ফ্লাশ ফাইল দেখানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলায় প্লাগিন ইউস করেন। আমিও করতাম আগে। কিন্তু এখন আর করতে হবে না সেই ঝামেলা। আপনি খুব সহজে আপনার সাইটে ফ্লাশ ফাইল এমবেড করে দেখাতে পারেন।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। প্রথমে আপনার ফ্লাশ ফাইলটি সাইটে আপলোড করুন। তারপর সি সি ওয়েব মাস্টার –এর ফ্লাশ এমবেড ট্যাবের(উপরের চিত্রে) Width ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির ইউআরএল দিন, যেমন: http://computerclubbd.com/wp-content/uploads/2011/11/cc_banner_468x60_swf.swf
তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি আপনার সাইটে পেস্ট করুন(যেখানে ফ্লাশ ফাইলটি দেখাতে চান)।

লিংক মেকার

অনেক সময় অনেক সাইটে কমেন্ট করি আমরা। নিজের সাইটের ব্যাক লিংক বাড়ানোর জন্য নিজের সাইটের লিংক কমেন্টে দিয়ে থাকি। সাইটের এড্রেস টাইপ করে দিলে অনেক সময় সুন্দর দেখায় না। তাই টেক্সটকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া আমরা আমাদের সাইটে যদি কোন লিংক দেতে চাই তাহলে এটির মাধ্যমে দিতে পারব।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Link Maker ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Text ঘরে লিখুন যে টেক্সটি লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং URL ঘরে যে লিংক হিসেবে টেক্সটি ব্যবহার করবেন সেই ইউআরএল দিন। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই লিঙ্কটি দেখা যাবে।

এড ইমেজ

আমরা অনেক সময় ইমেজ আপলোড করে অথবা মিডিয়া হতে ইমপোর্ট করে সাইটে দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনি চাইলে কোডিং করে এটি করতে পারেন অথবা অন্য সাইটের ইমেজ আপনি আপনার সাইটে দিতে পারেন এটি ব্যবহার করে।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Add Image ট্যাবে ক্লিক করুন। Width ঘরে ইমেজটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ইমেজটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ইমেজটির ইউআরএল দিন, এবার Link ঘরে লিখুন ইমেজটিকে যে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং Alt Text ঘরে টেক্সট লিখুন যেটি ইমেজ লোড না হলে দেখাবে। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই ইমেজটি দেখা যাবে।
কোন জায়গায় যেন লিংক বানানোর সফটওয়্যার দেখেছিলাম তখনই মাথায় আসে এটি। পরে বানিয়ে ফেলি। কিন্তু কোডিং সম্পর্কে জ্ঞান অল্প থাকায় মনমত বানাতে পারি নি। এখানে টিউন করব কিনা অনেক ভাবছি। সব এক্সপার্ট যদি আমার সফটওয়্যারটা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে? কিন্তু কি আর করব, টিউনটা আগে করাছিল, কপিপেস্ট করে সামান্য এডিট করলাম। শুনেছি এতে নাকি এসইও এর জন্য সুবিধা হয়।
ধন্যবাদ।

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য 


ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত কাজে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হিসেব নিকেশ এর গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই হিসেব নিকেশ রক্ষা করা ও অনেক কঠিন কাজ। তবে সঠিক হিসেব নিকেশ এর অভাবে লোকসান অবধারিত। তাই তো এই সফটওয়্যার আপনার অনেক কাজে দিবে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সকল আয় ব্যয় এর হিসেব রাখতে পারবেন। চলুন দেখি এই সফটওয়্যার দিয়ে আর কি করা যায়?
1. Secure Login System: আপনার অবর্তমানে কেউ যাতে আপনার ব্যক্তিগত হিসেব দেখতে না পারে সে জন্য এর শুরু তে রয়েছে Login Panel.
2015-01-21_145259
2. Unlimited Account: এর মাদ্ধমে আপনি যত খুশি তত Account Create করতে পারবেন।
2015-01-21_145356
3. Unlimited Debit/Credit: এর মাদ্ধমে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে Unlimited Debit/Credit করতে পারবেন।
2015-01-21_145507
2015-01-21_145530
4. Account Ledger/Transaction Report: আপনি Account Wise অথবা Date Wise Report দেখতে পারবেন। সেই সাথে PDF ফরম্যাটে সেভ করতে পারবেন।
2015-01-21_145801
2015-01-21_145644
2015-01-21_145907
5. Account Summary: আপনার সব অ্যাকাউন্ট দেখতে এবং তথ্য হাল নাগাদ এর কাজে লাগবে। এছাড়া Database Backup/Restore তো আছেই।
2015-01-21_145713
2015-01-21_145734
Click Here To Know More
Click Here To Watch User Guide
Download-NOW4

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে 


বন্ধুরা সবাই আশাকরি আল্লাহ্‌ এর রহমতে খুব ভালো ও সুস্থ আছেন । আমি সেম খুব ভালো ও সুস্থ আছি । যাই হোক আজকেও আমি আপনাদের জন্য ব্লগ বিষয়ক পোস্ট নিয়ে এলাম তবে
এটা বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । আমার টাইটেল দেখে হয়তো অনেকে ব্যাপারটা বুজতে পারেননি এই Iframe আবার কি ? চিন্তা করবেন না সব বুঝিয়ে দিছি ।
Iframe এর কাজ হল যেকোনো ওয়েব পেজ মানে ওয়েবসাইট এর পেজকে আপনার ব্লগে প্রদর্শন মানে দেখানো । হয়তো আপনি চাইছেন আমার ব্লগটিকে আপনি আপনার ব্লগের কোন
এক যাইগাই রাখতে চান তাহলে এই Iframe ব্যবহার করে আপনি কাজটি খুব সহজে করতে পারবেন । এটা খুব কাজের এবং দরকারি একটি বিষয় । আমাদের অনেকেরি এই কাজটা
অনেক সময় কাজে আসে কিন্তু না জানার কারনে এটা করতে পারিনা । যাই হোক তাহলে আজকে থেকে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না এই বিষয়ে ।
তাহলে বিষয়টি বিস্তারিত বুজতে পারলে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে এটা আপনার ব্লগে ব্যবহার করবেন । খুব সোজা ব্যবহার করা মাত্র এক ক্লিকে যুক্ত করতে পারবেন । তাহলে দেখে নিন এটা কিভাবে কাজ করে ।
আমি যেহেতু ব্লগার নিয়ে পোস্ট করছি তাই নিয়মটি আমি ব্লগার ব্লগের হিসাবেই দেখাবো ।
১// আপনার ব্লগার ব্লগ লগইন করুন  । এবার একটি কথা এটি আপনি আপনার ব্লগে Layout বা পোস্টেও ব্যবহার করতে পারেন ।
২// এবার আপনি যদি চান আপনার ব্লগ এর কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন তাহলে Layout > Add a Gadget > HTML/Javascript এ করুন আর যদি চান কোন একটি পোস্টে দেখাবো তাহলে পোস্ট করার সময় নীচের কোড গুলো HTML হিসাবে পোস্ট করুন ।
<iframe src=”http://www.myblogger-tricks.com” width=”300” height=”300“> </iframe>
নোটঃ আপনি ইছে করলে উপরের width , height = 300 কে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার দরকার মতো
৩// এবার Save করে দিন বা Post করে দিন ।
♦ তাহলে আশাকরি জিনিসটি আপনাদের ভালো লাগলো আপনি যদি আমার ব্লগটিকে সত্যি পছন্দ করেন তাহলে এইভাবে আপনি আমার ব্লগটিকে আপনার ব্লগে যুক্ত করে রেখে দিতে পারেন । কোন রকম সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন আমি সব সময় আছি ।

ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানোর কয়েকটি মাস্টার টিপস 

আজকে ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানো নিয়ে কয়েকটি কথা বলবো যা আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়িয়ে দিবে ১০০% গ্যারান্টি। কারন যারা একেবারে নতুন তারা ওয়েবসাইট এর স্পীড নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাই থাকেন। যাহোক কাজের কথায় আসি।
১। সবার আগে আমি মনে করি যে বিষয় টি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ভালো হোস্টিং। কারন যে মাটিতে ফসল ফলাবেন সেই মাটি যদি ভালো না হয় তাহলে যতই কিছু করেন না কেন তেমন কোন ফল পাবেন না বা কোন কাজ হবে না। আমদের অনেকেই সবসময় সস্তা হোস্টিং খোঁজে। মনে রাখবেন আপনি ৫০ টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং পাবেন আবার ২/৩ হাজার টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং কিনতে পারবেন। এখন আপনি নিজেই ভাবুন কোন কোয়ালিটির হস্টিং কিনবেন।
আমি মনে করি আপনি যদি সত্যি সত্যি এই পেশায় আসতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো মানের হোস্টিং আপনাকে কিনতে হবে। আমি অনেক বন্ধু ও এই হোস্টিং বাবসার সাথে জড়িত তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কথা গুলো বললাম। আবার আমার কাছে অনেক পরিচিত বা কাস্টমার আসেন যাদের কাছে কোয়ালিটির চেয়ে টাকার গুরুত্ব বেশি। তার মানে এই নয় যে আপনাকে বেশি দামে হোস্টিং কিনতে হবে। কারন অনেকে আবার নিম্নমানের হোস্টিং আপনার কাছে ভালো বলে বেশি দামে চালিয়ে দিতে পারে তাই সাবধান। কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিবেন।
আমার দেখা সবচেয়ে ভালো Domain and Hosting Company হল – GoDaddy.com, Bluehost.com, HostGator.com আপনি চোখ বন্ধ করে এদের কাছ থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন। World Class Service পাবেন গ্যারান্টি দিতে পারি। আমাদের দেশে হরেক রকমের হোস্টিং কোম্পানি দেখতে পাবেন, প্লিজ ওদের কাছ থেকে না নিয়ে সরাসরি উপরে উল্লেখিত মাদার কোম্পানি থেকেই নেয়াই ভালো। আমি দুঃখিত যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার এক্সপেরিয়াঞ্চ একটু ও ভালো না এই সশ্তা হোস্টিং গুলোর। খুবই ঝামেলাই ফেলেছিল দুইটা কোম্পানি আমাকে।
২। আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়াতে অবশ্যই আপনার সাইট কে কম্প্রেস করতে হবে যাতে সাইজ ছোট হয়। সাইজ ছোট হবে সাইট ততো তারাতারি লোড হবে। সাইট এর সাইজ ছোট করার একটা উপায় হল সাইটের gzip অপশনটা অন করা।এর স্পীড
৩। ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহার করা। এটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাটার। অনেক ক্যাশ প্লাগিন আছে এর মধ্যে w3 total cache & wp-super cache সবচেয়ে ভালো বলে আমি করি। আপনার যদি স্ট্যাটিক সাইট হয় মানে হল তেমন কোন পরিবর্তন করতে হয় না তাহলে বলবো wp-super cache প্লাগিন টা ব্যবহার করেন। আর যদি আপনার সাইট ব্লগ হয় তাহলে w3 total cache এইটা ব্যবহার করুন। এর কারন হল ব্লগ সাধারনত পোস্ট এ ভিউ কাউন্টার ব্যবহার করা হয় যে একটা পোস্ট কতবার পড়া হয়েছে।
আপনি যদি w3 total cache ব্যবহার করেন তাহলে এই ভিউ কাউন্টার ঠিক মতো কাজ করবে কিন্তু যদি wp-super cache ব্যবহার করেন তাহলে পোস্ট ভিউ করলে যে কাউন্টার সংখ্যা এক এক করে বাড়বে সেটা বাড়ে না। এর কারন হল এই প্লাগিন আপনার সাইট এর প্রতিটি পেজ বা পোস্ট কে একটা এইচটিএমএল পেজ বানিএ এ ফেলে ফলে নতুন কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট না করলে এর সংখ্যা বারে না। তবে কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট করলে একবারে বাড়ে।
৪। সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল গুলো কম্প্রেস এবং মিনিফাই করে ব্যবহার করা। এই কাজটি ম্যানুয়ালি করলে সবচেয়ে ভালো হয়। গুগলে সার্চ দিলে অনেক সাইট পাবেন যেখানে আপনার সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল Minify এবং Compress করতে পারবেন।
৫। যত পারেন HTTP request সংখ্যা হ্রাস এর চেষ্টা করুন। কারণ প্রতিটি HTTP request এর সাথে নতুন নতুন কানেকশন বা সেশন যুক্ত থাকে।
৬। যে ছবি গুলো আপলোড করবেন সেগুলো আগেই অপ্টিমাইজ করে নিতে পারেন। এর জন্য অনেক টুলস এবং সাইট আছে তবে আপনি ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন। এটা অনেক ভালো। তবে ব্লগ সাইট হলে তো এটা সম্ভব না তাই অনেক প্লাগিন আছে যেটা কোন ছবি আপলোড এর সময় সাইজ অনেক কমিয়ে দেয় অটোমেটিক ভাবে। যেমন, Smush.it, Pngcrush এবং Imagemagick অন্যতম।
৭। Style sheets (স্টাইল সীট) সবসময় হেডার এ এবং স্ক্রিপ্ট ফাইল সবসময় ফুটার এ রাখার চেষ্টা করা। এর উপর সাইট এর স্পীড অনেক খানি নির্ভর করে।
৮। কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) ব্যাবহারের চেষ্টা করা এতে সাইট এর স্পীড অনেক বেড়ে যায়। তবে এটা সবার পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
৯। অ্যাপ্লিকেশান এর সাথে ডাটাবেস এর কানেকশান ভালো ভাবে ওপেন এবং ক্লোজ করা।
১০। যদি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইট হয় তাহলে উল্টা পাল্টা প্লাগইন ব্যাবহার না করা। প্লাগইন ব্যাবহারের আগে ঐ প্লাগইন সম্পর্কে কমেন্ট পড়ে নিতে পারেন।
আরও অনেক ব্যাপার আছে তবে আপনি যদি উপরের গুলো ও করতে পারেন আশা করা যায় আপনার সাইট এর স্পীড নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।