শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৫

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক 

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আজ আপনাদের জন্য রয়েছি খুবই প্রয়োজনীয় কয়েকটি ই-বুক। আশা করি এই বই গুলো আপনাদের কাজে আসবে ও আপনাদের ভাল লাগবে। নিচে লিংক দেয়া আছে পচন্দ মতো ডাউনলোড করে নিন।

Microsoft Office 2010: Ultimate Tips and Tricks by Matt Smith

বইটি লেখা হয়েছে মাইক্রোসফট অফিস ২০১১ এর উপর। এর সকল ধরনের টিপস সহ ব্যবহারবিধি পাবেন এখানে। বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা ৩০টি, সাইজ ২.১ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Windows Small Business Server 2011 Administrator’s Companion

বইটির প্রকাশনা করেছে মাইক্রোসফট, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা সংখ্যা ৮৩২টি, সাইজ ২১.৯১ মেগা বাইট।
ডাউনলোড লিংক অথবা ডাউনলোড লিংক

Python Testing Cookbook By Greg L. Turnquist

এই বইটি কোন রান্না শিখার বই না। এটি হল পাথোন এর উপর লেখা একটি বই। এই বইটিতে যুক্ত করা হয়েছে কোডের সর্ববৃহত কালেকশান। এটি পাথোন এর উপর একটি ফাটাফাটি বই, খুবই সহজ ভাষায় এই বইটি লেখা হয়েছে। যাতে করে আপনি সহজেই সব কিছু বুঝতে পারেন ও শিখতে পারেন। বইটি প্রকাশ করেছে Pa.ck.t, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতার সংখ্যা ৩৬৪টি, সাইজ মাত্র ৯ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Algebraic Geometry 1: From Algebraic Varieties to Schemes

এবারের বইটি একটি মূল্যবান বই বলা যায়। অনেক আগের এই বইটি। এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে, বইটির সাই্জ মাত্র ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Theory of Laminated Plates

বইটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এর পাতা সংখ্য ১৫৩টি, সাইজ ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Function Fields and Moduli of Algebraic Varieties

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৭ সালে, পাতা সংখ্য ১৫৫, সাইজ ২ মেগা বাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Algebraic Groups of Finite Dimension

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ১৬১টি, সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Complex Algebraic Curves

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ২৭৬, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Mathematical Logic (Undergraduate Texts in Mathematics)

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালে, পাতা সংখ্যা ২২৫টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

J-Holomorphic Curves and Quantum Cohomology

বইটির প্রকাশ কাল ১৯৯৪ সাল, পাতা সংখ্যা ২০৯, সাইজ ২ মেগাবাই্ট।

ডাউনলোড লিংক

Enriques Surfaces I

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে, এতে পাতা রয়েছে ৩৯৭টি, সাইজ হল ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Computational Aspects of Commutative Algebra

এই বইটিরও প্রকাশ কাল ১৯৮৯ সাল। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৫৪টি, সাইজ ২ মেগাবাইট

ডাউনলোড লিংক

Windows Phone 7 Recipes: A Problem-Solution Approach

এই বইটি আবার নতুন সংরক্ষণ। প্রকাশ কাল ২০১১, পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৬৮টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Rigid Local Systems

এই বইটি মোটামুটি পুরাতন, ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। পাতার সংখ্যা ২৩২টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Operator Functions and Localization of Spectra

এই বইটির বেশি আগের নয়, প্রকাশ কাল ২০০৪ সাল। পাতার সংখ্যা ২৭০টি, মেগাবাই্ট হল ২।

ডাউনলোড লিংক

Python 3 Web Development Beginner’s Guide

এই বইটি নতুন ২০১১ সালের। এটি প্রকাশ করেছে Pa,c,kt Publis,hing, পাতা সংখ্যা ৩৩৬টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

  • WUpLoad
  • FileSonic
প্রত্যেকটি বইয়ের আলাদা আলাদা লিংক দেয়া হল, যাতে সহজে ডাউনলোড করা যায়। আর বইগুলো অনেক মূল্যবান। তাই যত্ন করে রাখবেন, যদি আপনার কাছে ভাল লাগে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ….

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার 

আমার প্রথম টিউন এটি টিউনার পেজে। আশা করি ভাল না লাগলেও খারাপ লাগবে না। টিউনটি আমি আমার নিজের বানানো ছোট্ট একটি সফটওয়্যার সি সি ওয়েব মাস্টার নিয়ে করেছি। যারা নতুন ব্লগিং করেন বা যারা নতুন ওয়েব ডেভেলপার তাদের কাজে আসবে এটি অনেক। তাছাড়া এটি আপনার সময় বাঁচাবে।
এই সফটওয়্যার এ যা থাকছে-
  • ফ্লাশ এমবেড
  • লিংক মেকার
  • এড ইমেজ

ফ্লাশ এমবেড

আমারা অনেক সময় সাইটে ফ্লাশ ফাইল এড করে থাকি। অনেকে ফ্লাশ ফাইল দেখানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলায় প্লাগিন ইউস করেন। আমিও করতাম আগে। কিন্তু এখন আর করতে হবে না সেই ঝামেলা। আপনি খুব সহজে আপনার সাইটে ফ্লাশ ফাইল এমবেড করে দেখাতে পারেন।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। প্রথমে আপনার ফ্লাশ ফাইলটি সাইটে আপলোড করুন। তারপর সি সি ওয়েব মাস্টার –এর ফ্লাশ এমবেড ট্যাবের(উপরের চিত্রে) Width ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির ইউআরএল দিন, যেমন: http://computerclubbd.com/wp-content/uploads/2011/11/cc_banner_468x60_swf.swf
তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি আপনার সাইটে পেস্ট করুন(যেখানে ফ্লাশ ফাইলটি দেখাতে চান)।

লিংক মেকার

অনেক সময় অনেক সাইটে কমেন্ট করি আমরা। নিজের সাইটের ব্যাক লিংক বাড়ানোর জন্য নিজের সাইটের লিংক কমেন্টে দিয়ে থাকি। সাইটের এড্রেস টাইপ করে দিলে অনেক সময় সুন্দর দেখায় না। তাই টেক্সটকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া আমরা আমাদের সাইটে যদি কোন লিংক দেতে চাই তাহলে এটির মাধ্যমে দিতে পারব।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Link Maker ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Text ঘরে লিখুন যে টেক্সটি লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং URL ঘরে যে লিংক হিসেবে টেক্সটি ব্যবহার করবেন সেই ইউআরএল দিন। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই লিঙ্কটি দেখা যাবে।

এড ইমেজ

আমরা অনেক সময় ইমেজ আপলোড করে অথবা মিডিয়া হতে ইমপোর্ট করে সাইটে দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনি চাইলে কোডিং করে এটি করতে পারেন অথবা অন্য সাইটের ইমেজ আপনি আপনার সাইটে দিতে পারেন এটি ব্যবহার করে।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Add Image ট্যাবে ক্লিক করুন। Width ঘরে ইমেজটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ইমেজটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ইমেজটির ইউআরএল দিন, এবার Link ঘরে লিখুন ইমেজটিকে যে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং Alt Text ঘরে টেক্সট লিখুন যেটি ইমেজ লোড না হলে দেখাবে। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই ইমেজটি দেখা যাবে।
কোন জায়গায় যেন লিংক বানানোর সফটওয়্যার দেখেছিলাম তখনই মাথায় আসে এটি। পরে বানিয়ে ফেলি। কিন্তু কোডিং সম্পর্কে জ্ঞান অল্প থাকায় মনমত বানাতে পারি নি। এখানে টিউন করব কিনা অনেক ভাবছি। সব এক্সপার্ট যদি আমার সফটওয়্যারটা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে? কিন্তু কি আর করব, টিউনটা আগে করাছিল, কপিপেস্ট করে সামান্য এডিট করলাম। শুনেছি এতে নাকি এসইও এর জন্য সুবিধা হয়।
ধন্যবাদ।

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য 


ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত কাজে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হিসেব নিকেশ এর গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই হিসেব নিকেশ রক্ষা করা ও অনেক কঠিন কাজ। তবে সঠিক হিসেব নিকেশ এর অভাবে লোকসান অবধারিত। তাই তো এই সফটওয়্যার আপনার অনেক কাজে দিবে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সকল আয় ব্যয় এর হিসেব রাখতে পারবেন। চলুন দেখি এই সফটওয়্যার দিয়ে আর কি করা যায়?
1. Secure Login System: আপনার অবর্তমানে কেউ যাতে আপনার ব্যক্তিগত হিসেব দেখতে না পারে সে জন্য এর শুরু তে রয়েছে Login Panel.
2015-01-21_145259
2. Unlimited Account: এর মাদ্ধমে আপনি যত খুশি তত Account Create করতে পারবেন।
2015-01-21_145356
3. Unlimited Debit/Credit: এর মাদ্ধমে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে Unlimited Debit/Credit করতে পারবেন।
2015-01-21_145507
2015-01-21_145530
4. Account Ledger/Transaction Report: আপনি Account Wise অথবা Date Wise Report দেখতে পারবেন। সেই সাথে PDF ফরম্যাটে সেভ করতে পারবেন।
2015-01-21_145801
2015-01-21_145644
2015-01-21_145907
5. Account Summary: আপনার সব অ্যাকাউন্ট দেখতে এবং তথ্য হাল নাগাদ এর কাজে লাগবে। এছাড়া Database Backup/Restore তো আছেই।
2015-01-21_145713
2015-01-21_145734
Click Here To Know More
Click Here To Watch User Guide
Download-NOW4

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে 


বন্ধুরা সবাই আশাকরি আল্লাহ্‌ এর রহমতে খুব ভালো ও সুস্থ আছেন । আমি সেম খুব ভালো ও সুস্থ আছি । যাই হোক আজকেও আমি আপনাদের জন্য ব্লগ বিষয়ক পোস্ট নিয়ে এলাম তবে
এটা বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । আমার টাইটেল দেখে হয়তো অনেকে ব্যাপারটা বুজতে পারেননি এই Iframe আবার কি ? চিন্তা করবেন না সব বুঝিয়ে দিছি ।
Iframe এর কাজ হল যেকোনো ওয়েব পেজ মানে ওয়েবসাইট এর পেজকে আপনার ব্লগে প্রদর্শন মানে দেখানো । হয়তো আপনি চাইছেন আমার ব্লগটিকে আপনি আপনার ব্লগের কোন
এক যাইগাই রাখতে চান তাহলে এই Iframe ব্যবহার করে আপনি কাজটি খুব সহজে করতে পারবেন । এটা খুব কাজের এবং দরকারি একটি বিষয় । আমাদের অনেকেরি এই কাজটা
অনেক সময় কাজে আসে কিন্তু না জানার কারনে এটা করতে পারিনা । যাই হোক তাহলে আজকে থেকে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না এই বিষয়ে ।
তাহলে বিষয়টি বিস্তারিত বুজতে পারলে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে এটা আপনার ব্লগে ব্যবহার করবেন । খুব সোজা ব্যবহার করা মাত্র এক ক্লিকে যুক্ত করতে পারবেন । তাহলে দেখে নিন এটা কিভাবে কাজ করে ।
আমি যেহেতু ব্লগার নিয়ে পোস্ট করছি তাই নিয়মটি আমি ব্লগার ব্লগের হিসাবেই দেখাবো ।
১// আপনার ব্লগার ব্লগ লগইন করুন  । এবার একটি কথা এটি আপনি আপনার ব্লগে Layout বা পোস্টেও ব্যবহার করতে পারেন ।
২// এবার আপনি যদি চান আপনার ব্লগ এর কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন তাহলে Layout > Add a Gadget > HTML/Javascript এ করুন আর যদি চান কোন একটি পোস্টে দেখাবো তাহলে পোস্ট করার সময় নীচের কোড গুলো HTML হিসাবে পোস্ট করুন ।
<iframe src=”http://www.myblogger-tricks.com” width=”300” height=”300“> </iframe>
নোটঃ আপনি ইছে করলে উপরের width , height = 300 কে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার দরকার মতো
৩// এবার Save করে দিন বা Post করে দিন ।
♦ তাহলে আশাকরি জিনিসটি আপনাদের ভালো লাগলো আপনি যদি আমার ব্লগটিকে সত্যি পছন্দ করেন তাহলে এইভাবে আপনি আমার ব্লগটিকে আপনার ব্লগে যুক্ত করে রেখে দিতে পারেন । কোন রকম সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন আমি সব সময় আছি ।

ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানোর কয়েকটি মাস্টার টিপস 

আজকে ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানো নিয়ে কয়েকটি কথা বলবো যা আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়িয়ে দিবে ১০০% গ্যারান্টি। কারন যারা একেবারে নতুন তারা ওয়েবসাইট এর স্পীড নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাই থাকেন। যাহোক কাজের কথায় আসি।
১। সবার আগে আমি মনে করি যে বিষয় টি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ভালো হোস্টিং। কারন যে মাটিতে ফসল ফলাবেন সেই মাটি যদি ভালো না হয় তাহলে যতই কিছু করেন না কেন তেমন কোন ফল পাবেন না বা কোন কাজ হবে না। আমদের অনেকেই সবসময় সস্তা হোস্টিং খোঁজে। মনে রাখবেন আপনি ৫০ টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং পাবেন আবার ২/৩ হাজার টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং কিনতে পারবেন। এখন আপনি নিজেই ভাবুন কোন কোয়ালিটির হস্টিং কিনবেন।
আমি মনে করি আপনি যদি সত্যি সত্যি এই পেশায় আসতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো মানের হোস্টিং আপনাকে কিনতে হবে। আমি অনেক বন্ধু ও এই হোস্টিং বাবসার সাথে জড়িত তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কথা গুলো বললাম। আবার আমার কাছে অনেক পরিচিত বা কাস্টমার আসেন যাদের কাছে কোয়ালিটির চেয়ে টাকার গুরুত্ব বেশি। তার মানে এই নয় যে আপনাকে বেশি দামে হোস্টিং কিনতে হবে। কারন অনেকে আবার নিম্নমানের হোস্টিং আপনার কাছে ভালো বলে বেশি দামে চালিয়ে দিতে পারে তাই সাবধান। কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিবেন।
আমার দেখা সবচেয়ে ভালো Domain and Hosting Company হল – GoDaddy.com, Bluehost.com, HostGator.com আপনি চোখ বন্ধ করে এদের কাছ থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন। World Class Service পাবেন গ্যারান্টি দিতে পারি। আমাদের দেশে হরেক রকমের হোস্টিং কোম্পানি দেখতে পাবেন, প্লিজ ওদের কাছ থেকে না নিয়ে সরাসরি উপরে উল্লেখিত মাদার কোম্পানি থেকেই নেয়াই ভালো। আমি দুঃখিত যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার এক্সপেরিয়াঞ্চ একটু ও ভালো না এই সশ্তা হোস্টিং গুলোর। খুবই ঝামেলাই ফেলেছিল দুইটা কোম্পানি আমাকে।
২। আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়াতে অবশ্যই আপনার সাইট কে কম্প্রেস করতে হবে যাতে সাইজ ছোট হয়। সাইজ ছোট হবে সাইট ততো তারাতারি লোড হবে। সাইট এর সাইজ ছোট করার একটা উপায় হল সাইটের gzip অপশনটা অন করা।এর স্পীড
৩। ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহার করা। এটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাটার। অনেক ক্যাশ প্লাগিন আছে এর মধ্যে w3 total cache & wp-super cache সবচেয়ে ভালো বলে আমি করি। আপনার যদি স্ট্যাটিক সাইট হয় মানে হল তেমন কোন পরিবর্তন করতে হয় না তাহলে বলবো wp-super cache প্লাগিন টা ব্যবহার করেন। আর যদি আপনার সাইট ব্লগ হয় তাহলে w3 total cache এইটা ব্যবহার করুন। এর কারন হল ব্লগ সাধারনত পোস্ট এ ভিউ কাউন্টার ব্যবহার করা হয় যে একটা পোস্ট কতবার পড়া হয়েছে।
আপনি যদি w3 total cache ব্যবহার করেন তাহলে এই ভিউ কাউন্টার ঠিক মতো কাজ করবে কিন্তু যদি wp-super cache ব্যবহার করেন তাহলে পোস্ট ভিউ করলে যে কাউন্টার সংখ্যা এক এক করে বাড়বে সেটা বাড়ে না। এর কারন হল এই প্লাগিন আপনার সাইট এর প্রতিটি পেজ বা পোস্ট কে একটা এইচটিএমএল পেজ বানিএ এ ফেলে ফলে নতুন কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট না করলে এর সংখ্যা বারে না। তবে কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট করলে একবারে বাড়ে।
৪। সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল গুলো কম্প্রেস এবং মিনিফাই করে ব্যবহার করা। এই কাজটি ম্যানুয়ালি করলে সবচেয়ে ভালো হয়। গুগলে সার্চ দিলে অনেক সাইট পাবেন যেখানে আপনার সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল Minify এবং Compress করতে পারবেন।
৫। যত পারেন HTTP request সংখ্যা হ্রাস এর চেষ্টা করুন। কারণ প্রতিটি HTTP request এর সাথে নতুন নতুন কানেকশন বা সেশন যুক্ত থাকে।
৬। যে ছবি গুলো আপলোড করবেন সেগুলো আগেই অপ্টিমাইজ করে নিতে পারেন। এর জন্য অনেক টুলস এবং সাইট আছে তবে আপনি ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন। এটা অনেক ভালো। তবে ব্লগ সাইট হলে তো এটা সম্ভব না তাই অনেক প্লাগিন আছে যেটা কোন ছবি আপলোড এর সময় সাইজ অনেক কমিয়ে দেয় অটোমেটিক ভাবে। যেমন, Smush.it, Pngcrush এবং Imagemagick অন্যতম।
৭। Style sheets (স্টাইল সীট) সবসময় হেডার এ এবং স্ক্রিপ্ট ফাইল সবসময় ফুটার এ রাখার চেষ্টা করা। এর উপর সাইট এর স্পীড অনেক খানি নির্ভর করে।
৮। কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) ব্যাবহারের চেষ্টা করা এতে সাইট এর স্পীড অনেক বেড়ে যায়। তবে এটা সবার পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
৯। অ্যাপ্লিকেশান এর সাথে ডাটাবেস এর কানেকশান ভালো ভাবে ওপেন এবং ক্লোজ করা।
১০। যদি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইট হয় তাহলে উল্টা পাল্টা প্লাগইন ব্যাবহার না করা। প্লাগইন ব্যাবহারের আগে ঐ প্লাগইন সম্পর্কে কমেন্ট পড়ে নিতে পারেন।
আরও অনেক ব্যাপার আছে তবে আপনি যদি উপরের গুলো ও করতে পারেন আশা করা যায় আপনার সাইট এর স্পীড নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।

আপনার পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করবেন কিভাবে?

আপনার পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করবেন কিভাবে? 

আপনি কি আপনার পাসওয়ার্ড নিয়ে চিন্তিত? কিংবা পাসওয়ার্ড নিয়ে ঠিক সন্তুষ্ট না যে এটা কতটা নিরাপদ? বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নিবার্চন। দেখা গেল হ্যাকাররা আপনার রেজিস্ট্রেশন করা একটি সাইট থেকে পাসওয়ার্ড হ্যাস (hash) হ্যাক করে নিয়ে গেল। আপনার পাসওয়ার্ডটি যদি শক্তিশালী হয় তাহলে তাকে আসল পাসওয়ার্ড বের করতে বেশ বেগ পেতে হবে।
একটি কথা মনে রাখবেন, এই পৃথিবীর সকল পাসওয়ার্ডই ভাঙ্গা সম্ভব – কিন্তু সেটা ভাঙ্গতে কতটা সময় লাগবে, সেটাই হলো সিকিউরিটি। আরেক ভাবে বললে, চিন্তা করুন আপনার ঘরের তালাটির কথা। যত শক্ত তালাই আপনি লাগান না কেন, সেটা কিন্তু ভাঙ্গা যাবেই। তবে ভারী তালা লাগালে সেটা ভাঙ্গতে একটু বেশি সময় লাগবে, ততক্ষণে আশেপাশের লোকজন চলে আসবে। চোর ধরা পড়ে যাবে।

শুড আই চেঞ্জ মাই পাসওয়ার্ড – এই সাইটটি আপনাকে আপনার পাসওয়ার্ড নিয়ে দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও দূর করবে।
লিঙ্কে ক্লিক করে সাইটে যান, এরপর বক্সটিতে আপনার মেইল এড্রেস দিয়ে চেক ইট বাটনে ক্লিক করুন
রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করুন।
দেখুন এখানে সবুজ সিগন্যাল দিচ্ছে, তারমানে আমার পাসওয়ার্ড নিরাপদ, আপনিও আপনার পাসওয়ার্ড চেক করে নিন।
এবার আসুন পাসওয়ার্ড বিষয়ক কিছু সাজেশন দেয়া যাক: পাসওয়ার্ডের আবার দুর্বল/শক্তিশালী কি?!!
ধরি আপনার পাসওয়ার্ড ১ ডিজিটের এবং আপনি শুধু সংখ্যা ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড সর্বোচ্চ ১০ চেষ্টাতেই ব্রেক করা সম্ভব [০,১,২ এভাবে ৯ পর্যন্ত]। আর যদি ইংরেজি বর্ণ ব্যবহার করেন তাহলে ২৬X২=৫২। দ্বিগুন হবার কারন হচ্ছে ক্যাপিটাল ও স্মল লেটার। আর আলফানিউমেরিক [সংখ্যা + বর্ণ] ব্যবহার করলে ৫২+১০=৬২। তাহলে আপনি যত বড় পাসওয়ার্ডই দেন না কেন কয়েকবছর লাগলেও ব্রেক করা সম্ভব!
কিন্তু আমি তো জানিনা আপনার পাসওয়ার্ড কতটা লম্বা! তাহলে? লেন্থ ১ ধরে শুরু করার পর লেন্থ এক এক করে বাড়ালে একসময় না একসময় পাওয়া যাবেই! হাত দিয়ে তো আর পাসওয়ার্ড দিচ্ছেন না, কাজটা হয় সফটওয়্যার দিয়ে তাই যেমন তাড়াতাড়ি হয় তেমনি যত সময় লাগছে সেটা ফ্যাক্টর না! আর দিন দিন কম্পিউটার অনেক দ্রুতগতির হচ্ছে, তাই হ্যাস ক্রাক অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতির নাম ব্রুটফোর্স এটাক। বোঝায় যাচ্ছে এটা অনেক সময় সাপেক্ষ। যখন কোন উপায় কাজ করে না তখনই শুধুমাত্র এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে এই পর্যন্তুই বলতে হয়।
আরেকটা খুব কমন এটাক হচ্ছে ডিকশানারি এটাক। ডিকশানীতে যেসব শব্দ আছে সেগুলা একে একে ধরে চেক করা হয়। যেমন আপনার পাসওয়ার্ড যদি হয় educated তাহলে আপনি ডিকশানারী এটাকে খুব সহজে ধরা খাবেন।
আরো অনেক কমপ্লেক্স এটাক আছে। কোনটা পছন্দ করা হবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। যাক এ ব্যাপারে অনেক ত্যানা প্যাচায়ে ফেলেছি।
এবার দেখা যাক কিভাবে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা যায়। বুদ্ধিমান পাঠকরা বুঝে গেছেন কয়েকটি জিনিসঃ

১। ইংরেজি ডিকশানারীর কোন শব্দ ব্যবহার করা যাবেনা
২। পাসওয়ার্ড লেন্থ যত বড় হয় তত ভাল
৩। লেটার ডিজিটের বাইরে স্পেশাল ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে হবে, যেমন !@#$% ইত্যাদি।

এখন দেখা যাক কিভাবে শক্তিশালী কিন্তু সহজে মনে রাখা যায় এমন পাসওয়ার্ড তৈরী করা যায়। বুঝতেই পারছেন শক্তিশালী এবং সহজ দুটি জিনিস ব্যাস্তানুপাতিক!
প্রথমে আমরা একটি বাংলা শব্দ নেই এবং সেটাকে বাংরেজিতে লেখি। যেমন, vatkhabo. এবার a কে @, t কে 1 আর o কে 0 [zero] দিয়ে রিপ্লেস করি। তাহলে দাড়ালো কি? v@1kh@b0. হয়ে গেল শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, অনেক সহজেই
এবার চাইলে এখান থেকে (পাসওয়ার্ড মিটার.কম) শক্তি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
vatkhabo = 9%
v@1kh@b0 = 71%
আর কিছুদিন পর পর (অন্তত তিন থেকে ছয় মাস) পাসওয়ার্ডটি পাল্টিয়ে ফেলবেন। আর পাল্টানোর সময় পুরনো পাসওয়ার্ড আবার ব্যবহার করবেন না যেন। একই পাসওয়ার্ড দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটা হ্যাক হবার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

কনো সফটওয়্যার ছারাই ফেসবুকের সোর্স কোডিং

কনো সফটওয়্যার ছারাই ফেসবুকের সোর্স কোডিং থেকে খুজে দেখে নিন কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ভিসিট করছে 

আমাদের ফেসবুক প্রোফাইলে নিয়মিত কেউ না কেউ ভিজিট করছে। আপনাকে কেউ হয়তবা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইনি কিংবা পাঠাতে ইতস্তত বোধ করছে আপনি সেটা জানেন না, এমনও হতে পারে আপনাদের খুব পছন্দের কেউ। আপনি যদি জানতে পারেন হয়তো অনেক কিছুই ঘটতে পারে। এই পোস্টটি ভালোভাবে খেয়াল করলে আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন কারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে।
১| প্রথমে আপনার ফেইসবুক প্রোফাইল লগইন করুন।
২।  ctrl+u বাটনে চাপ দিন। দেখবেন নতুন একটি পেজ ওপেন হয়েছে।
৩। তারপর ctrl+f বাটনে চাপ দিন।  দেখেবেন একটি সার্চ বক্স  খুলে গেছে পেজটির  কোনায়। এখন সার্চ বক্সে  {“list”: লিখে কীবোর্ডের Enter চাপুন।
প্রোফাইল
৪। {“list”: এর পাশেই দেখবেন “123456789″ ধরনের কিছু নাম্বার দেখাচ্ছে। এটাই হল সেই আইডিদের কোড যারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে। সবার প্রথমেই যে আইডিটি থাকবে সেই আপনার প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি ভিজিট করে। এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয় এইভাবে।
৫।কিন্তু এই কোড দিয়ে কিভাবে তাদের প্রোফাইল চেক করবেন তাই ভাবছেন? কোডটি কপি করুন এবং বসিয়ে দিন এইভাবে https://www.facebook.com/123456789 । এইবার Enter চাপুন।
৬। Enter চাপার সাথে সাথেই দেখতে পাবেন কে কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে।

SEO নিয়ে কাজ করছেন?

SEO নিয়ে কাজ করছেন? তাহলে নিন ৪০ টি ব্লগ সাইট যেখানে আপনি এসইও নিয়ে গবেষনা চালিয়ে যেতে পারবেন 

এস ই ও নিয়ে কাজ করতে হলে সবসময়ই আপডেটেট ইনফরমেশন গুলো জানতে হয়।কিন্ত কোথায় থেকে এই ইনফরমেশন পাওয়া যাবে ? এই জন্য এস ই ও এর বিভিন্ন ব্লগসাইট গুলো নিয়মিত ভিজিট করতে হবে এবং পড়াশুনা করতে হবে।আমি এখানে ৪০ টি এস ই ও ব্লগ সাইট আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।আশাকরি সবার কাজে লাগবে।
এস ই ও
1. The Moz Blog
Blog: http://moz.com/blog
Twitter: @moz
2. Search Engine Land
Blog: http://searchengineland.com/
Twitter: @sengineland
3. QuickSprout
Blog: http://www.quicksprout.com/blog/
Twitter: @neilpatel
4. YouMoz
Blog: http://moz.com/ugc
Twitter: @moz
5. Matt Cutts
Blog: http://www.mattcutts.com/blog/
Twitter: @mattcutts
6. SEOBOOK
Blog: http://www.seobook.com/blog
Twitter: @seobook
7. Rand Fishkin
Blog: http://moz.com/rand/
Twitter: @randfish
8. Search Engine Watch
Blog: http://searchenginewatch.com/
Twitter: @sewatch
9. Search Engine Journal
Blog: http://www.searchenginejournal.com/
Twitter: @sejournal
10. Bruce Clay
Blog: http://www.bruceclay.com/blog
Twitter: @BruceClayInc
11. SEO by the Sea
Blog: http://www.seobythesea.com/
Twitter: @bill_slawski
12. Search Engine Roundtable
Blog: http://www.seroundtable.com/
Twitter: @seroundtable
13. Digital Relevance
Blog: http://relevance.com/blog
Twitter: @drelevance
14. Daily SEO Blog
Blog: http://www.dailyseoblog.com/
Twitter: @ManiKarthik
15. Copyblogger
Blog: http://www.copyblogger.com/blog
Twitter: @copyblogger
16. David Naylor
Blog: http://www.davidnaylor.co.uk/
Twitter: @davenaylor
17. Daily SEO Tip
Blog: http://dailyseotip.com/
Twitter: @DailySEO
18. UpCity
Blog: http://upcity.com/blog
Twitter: @upcityinc
19. SEO Theory
Blog: http://www.seo-theory.com/
Twitter: @seo_theory
20. ClickZ
Blog: http://www.clickz.com/category/search/seo
Twitter: @clickz
21. Marketing Pilgrim
Blog: http://www.marketingpilgrim.com/category/search-marketing
Twitter: @MarketingPilgrm
22. Search Engine Guide
Blog: http://www.searchengineguide.com/
Twitter: @sewatch
23. REELSEO
Blog: http://www.reelseo.com/
Twitter: @reelseo
24. Higher Visibility
Blog: http://www.highervisibility.com/blog
Twitter: @highervis
25. Yoast
Blog: http://yoast.com/cat/seo
Twitter: @yoast
26. John Battelle’s Search Blog
Blog: http://battellemedia.com/
Twitter: @johnbattelle
27. BacklinkO
Blog: http://backlinko.com/
Twitter: @Backlinko
28. OptimizePrime
Blog: http://optimizepri.me/
Twitter: @OptimizePrime
29. SEOno
Blog: http://seono.co.uk/category/seo
Twitter: @steviephil
30. WordStream
Blog: http://www.wordstream.com/blog
Twitter: @wordsteam
31. Zazzle Media
Blog: http://www.zazzlemedia.co.uk/blog
Twitter: @zazzlemedia
32. Koozai
Blog: http://www.koozai.com/blog/category/search-marketing
Twitter: @koozai
33. SEO Nick
Blog: http://www.seonick.net/seo
Twitter: @nick_eubanks
34. Kaiser the Sage
Blog: http://kaiserthesage.com/
Twitter: @kaiserthesage
35. DejanSEO
Blog: http://dejanseo.com.au/blog
Twitter: @dejanseo
36. Small Business Online Coach
Blog: http://www.smallbusinessonlinecoach.com/blog
Twitter: @smbusinesscoach
37. iAcquire
Blog: http://www.iacquire.com/blog/category/seo-2
Twitter: @iacquire
38. David Leonhardt’s SEO and Social Media Marketing
Blog: http://www.seo-writer.com/blog
Twitter: @amabaie
39. siegemedia
Blog: http://www.siegemedia.com/blog
Twitter: @siegemedia
40. SEO Gadget
Blog: http://seogadget.com/category/seo/
Twitter: @seogadget

নির্দিষ্ট কোনো পেজে আপনার কাস্টম

নির্দিষ্ট কোনো পেজে আপনার কাস্টম ওয়ার্ডপ্রেস উইজেট দেখান 


wordpress coding tutorial geekbd.com 1 পুরনো টিউন এডিটর
আমার পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ । আজকের টিউন পোস্ট এ আমি দেখাবো কিভাবে আপনি আপনার পছন্দ মত ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টম উইজেট দেখাবেন । এটি করার জন্য আপনার কিছু স্টেপস ফলো করতে হবে । কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক । আপনার অবশ্যই উইজেট আইডি নম্বরটা জানতে হবে । উইজেট আইডি জানতে আপনি ওয়েব সোর্স অর কোনো ইন্সপেক্টর টুলস আর মাধ্যমে বের করে নিতে হবে । এই সেম্পলে এ পেজেস উইজেট এন্ড কন্টাক্ট ফর্ম দেয়া আছে । আপনার প্রয়োজন মত আপনি কোড তা বসিয়ে দিন ।
নিচে কোড টি দেয়া হলো:
add_filter( 'widget_display_callback', 'hide_widget_pages', 10, 3 );
function hide_widget_pages( $instance, $widget, $args ) {
if ( $widget->id_base == 'pages' ) { // change 'pages' to widget name
if ( !is_page( 'contact' ) ) {    // change page name
return false;
}
}
}
আমি ওয়ার্ডপ্রেস কোডিং নিয়ে আরো পোস্ট লিখব । আশা করি পোস্ট গুলো থেকে আপনার উপকৃত হবেন ।
পোস্ট টি ভালো লাগলে জানাবেন ।

WordPress User Role

WordPress User Role কিভাবে যোগ করবেন এবং বাদ দিবেন 


 wordpress user role

WordPress User Role কিভাবে যোগ করবেন এবং বাদ দিবেন

আপনি WordPress user role  সহজে  যোগ করবেন এবং বাদ দিতে পারবেন । প্রথম যে কোড থাকবে তা হলো manager এবং তার কিছু বেসিক কেপাবিলিটি থাকবে । আপনি চাইলে WordPress ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট কিছু ভূমিকা ও ক্ষমতা দিতে পারেন । দ্বিতীয় যে কোড টি আছে সেটি আপনার editor, author, contributor, subscriber ইত্যাদি ভুমিকা গুলো বাদ দিয়ে আপনার কাস্টম WordPress user role ব্যবহার করবে ।
নোট: আপনি যদি এটি ব্যবহার করেন তাহলে আপনের ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিফল্ট রোল গুলো চলে যাবে । বাদ দেয়ার আগে সঠিক ভাবে বুঝে নিন ।

function wps_add_role() {
add_role( 'manager', 'Manager',
array(
'read',
'edit_posts',
'delete_posts',
)
);
}
add_action( 'init', 'wps_add_role' );

[/php]
[php]

function wps_remove_role() {
remove_role( 'editor' );
remove_role( 'author' );
remove_role( 'contributor' );
remove_role( 'subscriber' );
}
add_action( 'init', 'wps_remove_role' );

ভালো লাগলে পোস্টটি বন্ধুদের কাছে শেয়ার করুন ।

উইন্ডোজ ৮.১/৮/৭/ভিসতা/মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩/২০১০/সার্ভার ২০০৮/২০১২ সহ মাইক্রোসফটের অ্যাক্টিভ করুন!

উইন্ডোজ ৮.১/৮/৭/ভিসতা/মাইক্রোসফট অফিস ২০১৩/২০১০/সার্ভার ২০০৮/২০১২ সহ মাইক্রোসফটের চৌদ্দগুষ্টিকে অ্যাক্টিভ করুন! 


আসসালামু আলাইকুম,
মাইক্রোসফটের যত সব পণ্য দিন দিন বের হচ্ছে, ততই সবার ঘাম ঝরছে অ্যাক্টিভেটর আবিষ্কার করতে! উইন্ডোজ অ্যাক্টিভ করতে এবার আর কষ্ট করতে হবে। আজকের পোস্টকে বলতে পারেন, কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরুলো!!! চিন্তা নাই এই সাপ আপনাকে ছবল দিবে না, বরং উইন্ডোজকে ছবল দিয়ে চৌদ্দগুষ্টিকে অ্যাক্টিভ করে দিবে। সুতরাং, NO চিন্তা DO ফুর্তি! :P
সবাই হয় তো কম বেশি KMSpico সফটওয়্যারটির নাম শুনেছেন। আজকে আমরা এই সফটওয়্যার দিয়ে উইন্ডোজ ৮.১ / উইন্ডোজ ৮ / উইন্ডোজ ৭ / উইন্ডোজ ভিসতা / মাইক্রোসফট অফিস ২০১০/ অফিস ২০১৩/ উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৮/ সার্ভার ২০১২ সহ মাইক্রোসফটের চৌদ্দগুষ্টিকে অ্যাক্টিভ করবো। এটি ব্যবহার করা খুব সহজ! শুধু আপনাকে দুটি ক্লিক করতে হবে। আর এতে আপনার পিসিতে ইন্সটল করা সকল মাইক্রোসফটের পণ্য অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে। আজকে আমি আপনার সবকিছু অ্যাক্টিভ করার ফুল টিউটোরিয়াল দেখাবো। সাথে থাকছে একটি ফুল ভিডিও টিউটোরিয়াল। SO, একটু সময় নিয়ে চেয়ারে চেপে বসুন আর পোস্টের দিক হালকা নিজর দিন! :)
 KMSpico-Activator-2013
প্রথমত এখান থেকে KMSpico এর নতুন ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে হবে। এখন পর্যন্ত এর লেটেস্ট ভার্সন হল- KMSpico 9.2.6(জুলাই,২০১৪) । ডাউনলোডের আগে, এক নজরে দেখা যাক এই KMSpico দিয়ে কয়তি জিনিস অ্যাক্টিভ করা সম্ভব। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন-
  • Windows 8.1
  • Windows 8.1 Professional
  • Windows 8.1 Enterprise
  • Windows 8.1 RT
  • Windows 8
  • Windows 8 Professional
  • Windows 8 Enterprise
  • Windows 8 RT
  • Windows 7 Professional
  • Windows 7 Enterprise
  • Windows Vista Business
  • Windows Vista Enterprise
  • Windows Server 2008
  • Windows Server 2008 Standard
  • Windows Server 2008 Datacenter
  • Windows Server 2008 Enterprise
  • Windows Server 20082008R2
  • Windows Server 2012
  • Windows Server 2012 Standard
  • Windows Server 2012 Datacenter
  • Windows Server 2012 2012R2
  • Microsoft Office 2010
  • Microsoft Office 2013
[ বিশেষ দ্রষ্টব্য: শুধুমাত্র উইন্ডোজ ৭ ও ভিসটা অ্যাক্টিভ করতে .NET 4.0 দরকার হবে। আর খুশির খবর উইন্ডোজ ৮.১ / উইন্ডোজ ৮ এর সকল ভার্সন অ্যাক্টিভ করতে এক্সট্রা কিছু লাগবে না। ]
প্রথমত ডাউনলোড  করে নিন KMSpico- 9.2.4 || সাইজ ২.৭ এমবি
DOWNLOAD
——> ——> http://uploadboy.com/o2fju9ah367r.html <——<——
টিউটোরিয়ালঃ
KMSpico 9.0.6 সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন- ২.৫ এমবি, জিপ এক্সট্রাট করে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন।
.
KMS-1
.
আরেকবার স্মরণ করে দিচ্ছি, যদি আপনার উইন্ডোজ ৭ বা ভিসতা হয়, তাহলে .NET 4.0 প্রয়োজন হবে, তবে উইন্ডোজ ৮.১ / উইন্ডোজ ৮ এর ক্ষেত্রে .NET লাগবে না কারণ এই ওস টে আগে থেকে ইন্সটল করা থাকে।
.
****শুধুমাত্র উইন্ডোজ 8.1 এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়****
[ উইন্ডোজ ৮.১ এর ক্ষেত্রে আপনাকে TAP Driver ইন্সটল করতে হবে। আপনাকে এজন্য এক্সট্রা কষ্ট করতে হবে না, KMSpico ইন্সটলএর সময় অটোমেটিক আবির্ভূত হবে নিচের মত ছবি, আপনি শুধু ইন্সটলে ক্লিক করবেন! ব্যাস TAP Driver ইন্সটল হয়ে যাবে। ৮.১ ছাড়া শুধু ৮ বা ৭ এ এটি প্রযোজ্য নহে ]
.
KMS-2
KMSpico সফটওয়্যার ইন্সটলের পর অটোমেটিক ওপেন হবে। যদি অটোমেটিক ওপেন না হয়, তাহলে আপনি StartMenu বা Start Screen থেকে KMSpico.exe ওপেন করুন।
 KMS-3
.
সফটওয়্যারটি ওপেন করার পর, ৫ সেকেন্ড ওয়েট করুন। কারণ, সফটওয়্যারটি আপনার উইন্ডোজ চেক করে দেখছে, মাইক্রোসফটের কি কি পণ্য ইন্সটল আছে।
.
৫ সেকেন্ড পর সফটওয়্যারটি ওপর অংশে ১/২ টি লোগো দেখতে পাবেন। প্রথম লোগো যেটি আপনার উইন্ডোজ ভার্সন, আর যদি অফিস ২০১০/অফিস ২০১৩ ইন্সটল থাকে তারও লোগো দেখা যাবে।
.

কার্যপদ্ধতিঃ

  • |১| মাইক্রোসফটের কি কি পণ্য ইন্সটল করা আছে কি না, তা চেক করতে ছবির মত (i) লোগোতে ক্লিক করুন। এতে মাইক্রোসফটের কি কি পণ্য ইন্সটল করা আছে তা দেখতে পাবেন।
.
KMS-4
.
  • |২| দ্বিতীয়তে আছে, Token Backup অর্থাৎ আপনার অ্যাক্টিভেশন ব্যাকআপ! খুব প্রয়োজন না হলেও, শুধু একটি ক্লিক করুন।
.
KMS-5
.
  • |৩| সর্বশেষে আছে মূলধন! ওই লাল চিহ্নিত বাটনে ক্লিক করলে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার উইন্ডোজ+ মাইক্রোসফট অফিস ২০১০/২০১৩ এর চৌদ্দগুষ্টি শুদ্ধ অ্যাক্টিভ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে, নির্দ্বিধায় লাল বাটনে ক্লিক করে অ্যাক্টিভ করে নিন। আরেকটি কথা উল্লেখ্য যে, অ্যাক্টিভেশনে কোন প্রকার রিস্টার্টের প্রয়োজন হয় না।
.

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ

উইন্ডোজ অ্যাক্টিভ হওয়ার পর যদি দেখতে পান, ওয়াটার মার্ক ভেনিস হয়ে যায় নি সেক্ষেত্রে পিসি রিস্টার্ট দিন। সমাধান পেয়ে যাবেন।
যদি কখন উইন্ডোজ বা অফিস অ্যাক্টিভ করতে প্রবলেম ফেস করেন, তাহলে KMSpico সফটওয়্যারটিতে দান ক্লিক করে ‘রান এস অ্যাডমিন’ করে ওপেন করবেন। তাতেই সমাধান পাবেন।
আরেকটি বিষয় হল- এই অ্যাক্টিভেশন ৬ মাস পর্যন্ত থাকবে। আপনাকে ৬ মাস পর এটি ওপেন করে পুনঃঅ্যাক্টিভ করতে হবে। সবচেয়ে সহজতর উপায়!!!
.
.
ডাউনলোড করে নিন KMSpico- 9.2.4 || সাইজ ২.৭এমবি
——>——> http://uploadboy.com/o2fju9ah367r.html <——<——
.
.

মাত্র ৫ মিনিট সময় দিয়ে সহজে ৫০০০ ভিজিটর আনুন আপনার সাইটে

মাত্র ৫ মিনিট সময় দিয়ে সহজে ৫০০০ ভিজিটর আনুন আপনার সাইটে ১০০০০০%%% 

আসালামুয়ালাইকুম, আসাকরি সবাই ভাল আছেন । আমিও ভাল আছি । এটা আমার প্রথম পোস্ট তাই ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেকবেন ।
আজ আমি আপনাদের সাথে একটি সাইট এর পরিচয় করিয়া দিব যেখানে কষ্ট ছারা মাত্র ৫ মিনিট সময় দিয়ে সহজে ৫০০ ভিজিটর আনতে পারবেন আপনার সাইথ ।
*আপনি কেন এখানে কাজ করবেন ?
->এখানে আপনাকে ঘনটার পর ঘণ্টা সময় দিতে হবে না ।
->আপনার সাইটের ভিজিটর অনেক গুন বেরে যাবে ।
-> গুগল adsence সহজে apoved করাতে পারবেন ।
->Page Rank বেরে যাবে । ইতাদি্‌ >>>>>>>>>>
*কাজ করার ধারা (চিত্র সহ)
প্রথমে নিচের লিঙ্ক টি একটি নিউ ট্যাব এ ওপেন করুন
CLICK HERE
এখন চিত্র অনুসরন করুনঃ
1
2
মেইল ভারিফাই করুন । মেইল ইনবক্স এ না পাইলে spam দেখুনঃ
এরপর LogIN করুন
3
4
5
6
7
8
9
সবাইকে অনাকে থ্যাংকস । সবাই ভাল থাকবেন আর আমার জন্য দুয়া করবেন ।

ডাউনলোড করে নিন ল্যাটেস্ট উইন্ডোজ & অফিস এক্টিভেটর (KMSpico v10.0.4)

ডাউনলোড করে নিন ল্যাটেস্ট উইন্ডোজ & অফিস এক্টিভেটর (KMSpico v10.0.4) 


Windows Activatorআস্ সালামু আলাই কুম, আশা করি নতুন বছরে সবাই ভালো অছেন৷ যদিও অমি গত দুই বছর যাবৎ www.iTTimesbd.com এ ব্লগিং করি তথাপি আমি সম্প্রতি Tuner-page এ জয়েন করি৷এবংএটি আমর প্রথম পোস্ট কোনো ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
আজকে আমি অপনদের সাথে শেয়ার করছি ল্যাটেস্ট উইন্ডোজ & অফিস এক্টিভেটর (KMSpico v10.0.4)৷ এই এক্টিভেটর টি দিয়ে অপ নারা নিন্মের প্রোডক্টসমুহ এক্টিভেট করতে পারবেন…
  • Windows 10 Technical Preview Build 9841/9860.
  • Windows 8 and 8.1 All version.
  • Office 2010 and 2013.
  • Windows 7 Professional/Enterprise.
  • Windows Vista Business/Enterprise.
  • Windows Server Technical Preview Build 9841 All.
  • Windows Server 2008/2008R2.
  • Windows Server 2012/2012R2.
Download Now

Download KMSpico v10.0.4

|
KMSpico v10.0.4 এক্টিভেটর টি উপরের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন অপনার উইন্ডোজ & অফিস এক্টিভেট করার জন্য৷ এক্টিভেটর টি মাত্র ২.৭৮ MB.
  • এক্টিভেটর টি ডাউনলোড করার পর ফোল্ডারটি আনজিপ করুন৷
  • এখন KMSpico_setup.exe এ ডাবল ক্লিক করে ইন্সটল করুন৷
  • এরপর start menu তে গিয়ে kmspico তে ক্লিক করুন৷একটি নতুন উইন্ডো খুলবে৷
    kmspico window
  • এখানে i বাটনে ক্লিক করুন এক্টিভেশন স্ট্যাটাস জানার জন্য৷
    activation status
ইন্সটলেশন শেষ হলে অপনার উইন্ডোজ & অফিস অটোমেটিকেলি এক্টিভেট হযে যাবে চাইলে চেক করে নিতে পরেন৷

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৫

এক নজরে দেখে নিন গ্রামীনফোনের সকল ইন্টারনেট প্যাকেজ সমূহের মূল্য তালিকা ও অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:

এক নজরে দেখে নিন গ্রামীনফোনের সকল ইন্টারনেট প্যাকেজ সমূহের মূল্য তালিকা ও অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। এক নজরে দেখে নিন গ্রামীনফোনের সকল থ্রিজি  ইন্টারনেট প্যাকেজ সমূহের মূল্য তালিকা ও অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:
১ এমবিপিএস প্যাকেজ
স্মার্ট প্যাক ৬৯৯ (১ এমবিপিএস)
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট, ৬০০ মিনিট ভয়েস কল (যেকোন লোকাল নম্বরে), ৬০০ এসএমএস (জিপি-জিপি), ৬০০ এমএমএস
মূল্য : টাকা. 699
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি: ডায়াল করুন *500*699# বা SP699 লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ২ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড

হেভি ইউসেজ প্যাক (১ এমবিপিএস)

পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট
মূল্য : টাকা. 1250
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি: ডায়াল করুন *500*102# বা 1000 U লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ৮ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
স্টান্ডার্ড প্যাক (১ এমবিপিএস)
পরিমাণ : ৩ জিবি
মূল্য : টাকা. 700
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি: ডায়াল করুন *500*106# বা 1000 2GB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
হেভি ইউসেজ প্যাক – রাত্রিকালীন (১ এমবিপিএস)
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট রাত ১২টা থেকে সকাল ১০টা
মূল্য : টাকা. 250
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি: ডায়াল করুন *500*3# বা NU লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ২ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
৫১২ কেবিপিএস  প্যকেজ
স্মার্ট প্যাক ২৯৯ (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট, ২০০ মিনিট ভয়েস কল (যেকোন লোকাল নম্বরে), ২০০ এসএমএস (জিপি-জিপি),      ২০০   এমএমএস
মূল্য : টাকা. 299
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*299# বা SP299 লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ৫০০ এমবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
স্মার্ট প্যাক ৪৯৯ (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট, ৪০০ মিনিট ভয়েস কল (যেকোন লোকাল নম্বরে), ৪০০ এসএমএস (জিপি-জিপি), ৪০০ এমএমএস
মূল্য : টাকা. 499
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*499# বা SP499 লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ১ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
স্টান্ডার্ড প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : ২ জিবি
মূল্য : টাকা. 400
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*56# বা 512 2GB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
থ্রিজি মিনি প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : ২৫০ এমবি
মূল্য : টাকা. 99
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*9#
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
হেভি ইউসেজ প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট
মূল্য : টাকা. 950
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*52# বা 512 U লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ৮ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
১ জিবি প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)
পরিমাণ : ১ জিবি
মূল্য : টাকা. 300
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*57# বা 512 1GB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড

স্টার্টার প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)

পরিমাণ : ৭৫ এমবি
মূল্য : টাকা. 50
বৈধতা : 5 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*59# বা 512 75MB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড

থ্রিজি ক্লিক প্যাক (৫১২ কেবিপিএস)

পরিমাণ : ৪ এমবি ও ২টি এমএমএস
মূল্য : টাকা. 2
বৈধতা : 2 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি : ডায়াল করুন *500*80# বা 3G Click লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, পোস্টপেইড
২ জি প্যকেজ
পে-এজ-ইউ-গো প্যাক
পরিমাণ : ২৫০ এমবি
মূল্য : টাকা. 2/এমবি
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*0# বা PAYG লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : হ্যাঁ, ৩০ এমবি ব্যবহারের পর ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাবে
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid
হেভি ইউসেজ প্যাক – ২৪ ঘন্টা
পরিমাণ : অবিরাম ইন্টারনেট
মূল্য : টাকা. 850
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*2# বা P2 লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ৫ জিবি ব্যবহারের পর প্রযোজ্য
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid
২ জিবি প্যাক
পরিমাণ : ২ জিবি
মূল্য : টাকা. 300
বৈধতা : 30 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*6# বা P6 লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid

৫০০ এমবি প্যাক

পরিমাণ : ৫০০ এমবি
মূল্য : টাকা. 99
বৈধতা : 28 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*4# বা 500MB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : Not Applicable
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid

মিনিপ্যাক ২৫ এমবি

পরিমাণ : ২৫ এমবি
মূল্য : টাকা. 20
বৈধতা : 10 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*7# বা 25MB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid
মিনিপ্যাক ৯ এমবি
পরিমাণ : ৯ এমবি, ৩টি এমএমএস ও নন-স্টপ ফ্রি মোবাইল ফেসবুকিং
মূল্য : টাকা. 9
বৈধতা : 3 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন  *500*10# বা 9MB লিখে এসএমএস করুন 5000 নম্বরে
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : ফেসবুক ব্যবহারে প্রযোজ্য, ৪১ এমবি-এর পর
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid
টুজি ক্লিক প্যাক
পরিমাণ : ৩ এমবি ও ২টি এমএমএস
মূল্য : টাকা. 1
বৈধতা : 2 দিন
অ্যাক্টিভ করার পদ্ধতি:  ডায়াল করুন *500*11#
ব্যবহার চেক করুন : ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *567#
ফেয়ার ইউসেজ পলিসি : প্রযোজ্য নয়
কার্যকর : প্রিপেইড, Postpaid

হ্যাকারদের হাত থেকে বাচাঁর জন্য ব্যবহার করুন এটি।

হ্যাকারদের হাত থেকে বাচাঁর জন্য ব্যবহার করুন এটি।

হ্যাকারদের হাত থেকে বাচাঁর জন্য আমরা কত কিছুই না করি। তারপরও আমরা রক্ষা পাই না। হ্যাকারের বাংলা শব্দ হলো চোর। এটি কম্পিউটার্ প্রোগ্রামিংয়ের ভাষায় ব্যবহার করা হয়। যাই হোক, এই হ্যাকররা চোর হলেও ঈমানদার বলা যায়। কারন, তারাই বাচাঁর উপায় জানান দিয়েছে। অর্থাৎ আপনার পিসি হ্যাক হওয়ার জন্য আপনি নিজেই দ্বায়ী কারনগুলো হলো:
সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, ঘন ঘন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা,
ওয়াইফাইয়ের ক্ষেত্রে WPA বা WEP ব্যবহার করা। WPA2 ব্যবহার করাই শ্রেয়,
ব্লু-টুথ অথবা ওয়াইফাই চালু রাখা,
HTTPS এর বদলে HTTP সাইট ব্যবহার করা,
এছাড়াও আমরা ফেসবুকের ক্ষেত্রে Second verification ব্যবহার করতে পারি ইত্যাদি কারনগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
তবে, আমরা সতর্ক থাকলেই কেবলমাত্র হ্যাকারদের হাত থেকে বাচঁতে পারবো নতুবা বিপদের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে।
এই অ্যাড-অনটি ব্যবহার করে সহজেই হ্যাক থেকে বাচাঁ সম্ভব অর্থাৎ এটাকে বলে নিরাপদ বা Secure Browsing যা কিনা আপনার ব্রাউজ করা তথ্য সহজেই একজন হ্যাকার হ্যাক করতে পারবে না। অ্যাড-অনটি ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

আইপি নাম্বার কি, কেন প্রয়োজন, কিভাবে পরিবর্তন করবেন

আইপি নাম্বার কি, কেন প্রয়োজন, কিভাবে পরিবর্তন করবেন

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। জেনে নিন আইপি নাম্বার কি, কেনো প্রয়োজন, কিভাবে পরিবর্তন করবেন ?
আইপি নাম্বার কি?
আইপি নাম্বার হল একটি সংখ্যাগত লেবেল যা কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কৌশল বা ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত যেখানে নেটওয়ার্কের নোড গুলো যোগাযোগের জন্য আইপি নাম্বার ব্যবহার করে । আইপি অ্যাড্রেসের প্রধান কাজ মুলত দুটি:হোস্ট অথবা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস সনাক্ত করা এবং অবস্থান খুজে বের করা। যেমন- 215.7.158.14 একটি আইপি নাম্বার।
আইপি নাম্বার কেন প্রয়োজন?
আইপি নাম্বার হল একটি হোম অ্যাড্রেস এর মত। ডাটা প্রেরণ এবং গ্রহন করার জন্য যেমনটি হোম অ্যাড্রেস প্রয়োজন। হোম অ্যাড্রেস এবং আইপি নাম্বার একই রকম কাজ করে থাকে। আইপি নাম্বার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটার যোগাযগের জন্য অন্য একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটে যুক্ত হয়। তাই যোগাযোগ বাবস্থা বযায় রাখার জন্য আইপি নাম্বার অবশ্যই প্রয়োজন।
আইপি নাম্বার এর ব্যাবহার:
আপনার আইপি নাম্বার এর মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় আপনি কোন দেশ বা কোন যায়গা থেকে আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করছেন। তাই সবধান ইন্টারনেটে কোন অপরাধ মূলক কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
তবে আপনি চাইলে খুব সহজে আপনার আইপি নাম্বার লুকিয়ে রাখতে অথবা পরিবর্তন করতে পারবেন, তাহলে কেউ আপনার অবস্থান সঠিক ভাবে বের করতে পারবে না।
কিভাবে আইপি নাম্বার লুকাবেন?
আইপি নাম্বার লুকাতে চাইলে আপনাকে একটি সফটওয়ার ব্যাবহার করতে হবে। তবে এধরনের সফটওয়ার আপনার কম্পিউটার এর জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।এক্ষেত্রে আপনি আইপি হাইডের জন্য Hide me ব্যবহার করতে পারেন।
কিভাবে আইপি নাম্বার পরিবরতন করবেন?
আইপি নাম্বার পরিবর্তন করার অনেক উপায় আছে তবে সব ক্ষেত্রে কাজ নাও হতে পারে। যদি আপনার আইপি নাম্বার স্থীর হয় তাহলে আপনাকে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা (ISP) এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। যদিও এটা অসম্ভব ব্যাপার তবে ব্যবসায়ের জন্য হয়ত দিতে পারে। যাই হোক আপনি এ ভাবে একটু করে দেখুন কাজ হয়ে যেতে পারে। এটা শুধু মাত্র Windows XP 2000, 2003 এর জন্য।
১। ক্লিক স্টার্ট
২। ক্লিক রান
৩। লিখুন cmd এবং ওকে করুন (এখানে আপনাকে নির্দেশ করতে হবে)
৪। লিখুন ipconfig/relese এবং এন্টার চাপুন
৫। ক্লিক স্টার্ট, কন্ট্রোল প্যানেল, এবং নেটওয়ার্ক কানেকশন ওপেন করুন
৬। লোকাল এরিয়া কানেকশন এ রাইট ক্লিক করুন, এবং প্রপারটিজ এ যান
৭। এখনে আইপি নাম্বার বা Internet Protocol (TCP/IP) এ দুবার ক্লিক করুন
৮। এখন এখানে আপনি আপনার পছন্দ মত আইপি নাম্বার বসিয়ে নিন
যেমন– ১২৩.১২৩.১২৩.১২৩
৯। এখন Tab চাপুন। তাহলে আপনার প্রবেশ করান নাম্বার গুলো ডিফল্ট হয়ে যাবে
১০। এবার দু যায়গাতেই ওকে চাপুন
১১। আবার লোকাল এরিয়া কানেকশন এ ক্লিক করে প্রপারটিজ এ যান
১২। এখনে আইপি নাম্বার বা Internet Protocol (TCP/IP) এ দুবার ক্লিক করুন
১৩। এখনে আইপি নাম্বারকে automatically কনফিগার করুন
১৪। এখন দু যায়গাতেই ওকে করুন
১৫। সবশেসে দেখুন আপনার আইপি নাম্বার আপনার পছন্দ মত হয়েছে কি না ?
এখানে দেখুন What Is My IP

সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগসাইট আপনাদের ব্লগ সাইটে ক্রিকেট এর সুন্দর কিছু Widgets যোগ করে নিন (আনলিমিটেড)

সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগসাইট আপনাদের ব্লগ সাইটে ক্রিকেট এর সুন্দর কিছু Widgets যোগ করে নিন (আনলিমিটেড)

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালই আছি।আজকের আমার পোস্ট এর মূল বিষয়টি হচ্ছে  আপনাদের যাদের নিজস্ব ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে তাদের সাইটে ভিজিটরদের জন্য আকর্ষণীয় একটা সুবিধা যোগ করা । আর এই সুবিধাটি হচ্ছে আপনাদের সাইটে ক্রিকেট এর সুন্দর কিছু  Widgets যোগ করা নেয়া। নিচের Widgets গুলো থেকে আপনার পছন্দের টি নির্বাচন করে  জাভা স্ক্রিপ্ট কোডটি কপি করে আপনার সাইটে যোগ করুন
সবগুলোর ডেমো দেখুন
demo

Get Series Stats Widget

<script> app=’www.cricwaves.com';  wi =”0″;  co =”6″; Width=’300px'; Height=”270px”;  </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/statstourScript.js”></script>

ICC Ratings

<script> d=”www.cricwaves.com”; wi =”w”; co =”2″;  </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/widgets/script/iccScript.js”></script>

ICC WORLDCUP 2015

<script> app=”www.cricwaves.com”; mo=”1″; nt=”n”; TID=”173″; wi=”w”; co=”new”; ad=”2″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/Pointsscript.js?v=1.1″></script><textarea style=’display:none;’ class=”text_area_widget” id=”copy_codepoold” readonly=”readonly”><script> app=”www.cricwaves.com”; mo=”1″; nt=”n”; TID=”173″; wi=”w”; co=”old”; ad=”2″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/Pointsscript.js?v=1.1″></script>

Live scores iframe page

  <iframe style=”overflow-x:hidden;overflow-y:auto;” src=”http://cricket-app-hrd.appspot.com/” width=”650″ height=”800″ marginheight=’0′ frameborder=”0″ scrolling=”yes”></iframe>

Cricket Content in a Box

<script type=”text/javascript”>
 app=”www.cricwaves.com”; mo=’Cbox'; mats =”; tor =”; Width=’640px'; Height=’552px'; co =’ext';
</script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js?v=1.2″></script>

Player Search Widget

<script> app=’www.cricwaves.com'; mo=”1″; nt=”n”; wi =”w”; Width=”; Height=””; co =”100″; ad=”0″; </script><script src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/RandomPlayer.js” type=”text/javascript”></script>

Cricket Live Widget

 <script>
 app=”www.cricwaves.com”; mo=”1″; nt=”n”;   wi =”0″;
 co =”2″; ad=”1″;
</script>
<script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js”></script>

Stats Corner Widget

 <script>
 app=”www.cricwaves.com”; mtype =”4″; Width=”300px”; Height=”255px”; co =”mn”; mo =”W”;
</script>
<script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/statstourScript.js?v=1.1″></script>

ICC Ratings Widget

<script> app=”www.cricwaves.com”; wi =”n”; co =”100″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/iccScript.js?v=1.1″></script>

Cricket Live Widget

 <script>  app=’www.cricwaves.com'; mo=”h_p11″; nt=”1″;   wi =”n”;  co =”7″; ad=”1″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js”></script>

Cricket Live Widget

<script type=”text/javascript”> app=”www.cricwaves.com”; mo=’Ext'; nt=”Ext”; mats =”; tor =”; Width=’302px'; Height=’304px'; wi =’w'; co =’Ext'; ad=”2″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js”></script>

Series Stats Widget

 <script>
 app=”www.cricwaves.com”; tor =”Latest”; mtype =”All”;  Width=”305px”; Height=”255px”;
 co =”r3″;
</script>
<script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/statstourScript.js?v=1″></script>

Calender Widget

<iframe style=”margin-top:3px;” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/2012/0/0/All/CalWid.html” width=”302″ height=”255″ frameborder=”0″></iframe>

Points Table Widget

<script> app=”www.cricwaves.com”; wi =”w”; co =”100″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/iccScript.js?v=1.1″></script>

Cricket Live Widget

<script type=”text/javascript”>
 app=”www.cricwaves.com”; mo=”f1_zd”; nt=”ban”; mats =””; tor =””; Width=”302px”; Height=”252px”; wi =”w”;
 co =”ban”; ad=”1″;
</script>
<script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js”></script>

Live Simulation Widget

<script type=”text/javascript”> app=”www.cricwaves.com”; mo=”f1_kzd”; nt=”flash”; mats =””; tor =””; Width=’302px'; Height=’252px'; wi =”w”; co =”flash”; ad=”1″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/scoreWidgets.js”></script>

Points Table Widget

<script> app=”www.cricwaves.com”; mo=”1″; nt=”n”; TID=”173″; wi=”w”; co=”new”; ad=”2″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/Pointsscript.js?v=1.1″></script><textarea style=’display:none;’ id=”copy_codepoold” readonly=”readonly”><script> app=”www.cricwaves.com”; mo=”1″; nt=”n”; TID=”173″; wi=”w”; co=”old”; ad=”2″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/Pointsscript.js?v=1.1″></script>

ICC Ratings Widget

<script> app=”www.cricwaves.com”; wi =”n”; co =”100″; </script><script type=”text/javascript” src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/iccScript.js?v=1.2″></script>

Player Search Widget

<script> app=’www.cricwaves.com'; mo=”1″; nt=”n”; wi =”w”; Width=”; Height=””; co =”100″; ad=”0″; </script><script src=”http://www.cricwaves.com/cricket/widgets/script/RandomPlayer.js” type=”text/javascript”></script>
কিভাবে Widget Widget গুলো ব্লগ এ যোগ করবেন
নিচে স্ক্রীনশ্রট দিয়ে দিলাম
 Capture
Capture5
Capture6


প্রথমে আপনার জিমেইল এবং পাসওয়ারড দিয়ে ব্লগে লগ ইন করুন। তারপর লেআউট সিলেক্ট করু্ন। তারপর add widget তারপর html javascript সিলেক্ট করুন।ফাকা বক্স এ কোডগুলো কপি করে নিয়ে পেস্ট করুন। Title বক্সে নাম দিন। ব্যাস কাজ শেষ।

কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং করা যায় বা হ্যাক হচ্ছে?

কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং করা যায় বা হ্যাক হচ্ছে?

হ্যাকারদের হামলায় অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ফেসবুক। বিষয়টি স্বীকার করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ লাখ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে।
ফেসবুকে যোগ হচ্ছে ভয়েস টেক্সট
যেভাবে হ্যাক হচ্ছেঃ
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এর প্রায় ৭ ধরনের পদ্ধতি আছে। তবে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুক হ্যাকিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে কিলগার নামে একটি সফটওয়্যার।
সম্প্রতি কিলগার ছাড়াও ফেসবুক হ্যাকিং নামে একটি বিশেষ ধরনের ‘জিপ ফোল্ডার’ ব্যবহার করছেন হ্যাকাররা। মূলতঃ এটি ফিশিং নামে পরিচিত।
ফেসবুক হ্যাকিংয়ের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনেক সহজ এবং বিপজ্জনক। এ ফোল্ডারে দুটি ফাইল থাকে। এ দুটি ফাইল হ্যাকারদের ওয়েব হোস্টিং সাইটে আপলোড করে এর একটি লিংক যার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হবে, তার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সাধারণত মেসেজ অপশন ব্যবহার করে। হ্যাকার তার কাঙ্ক্ষিত অ্যাকাউন্টধারীর ফেসবুক বন্ধু হলে তার ওয়ালেও পেস্ট করে দেয়। আর ওই লিংকটিতে ফেসবুক ব্যবহারকারী ক্লিক করা মাত্র তার ই-মেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড চলে যাবে হ্যাকারের ওয়েব হোস্টিং পাতায় উল্লেখিত ফাইলে। হ্যাকার ফাইলটি খুলে তার কাঙ্ক্ষিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টধারীর পাসওয়ার্ড পেয়ে যাচ্ছেন আর দখলে নিচ্ছেন অ্যাকাউন্টটি।
একই প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত ই-মেইল অ্যাকাউন্টও হ্যাকারদের দখলে চলে যাচ্ছে। অনেক হ্যাকার আবার বিভিন্ন ব্লগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ট্রিকস হিসেবে বিশেষ জিপ ফোল্ডারটি আপলোড করে রাখছেন এবং “এটি ডাউনলোড করলে আপনিও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবেন”-এমন কিছু বাক্য লিখে রাখছেন। তবে সাবধান, ওই জিপ ফোল্ডারে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে স্প্যাম। এর ফলে জিপ ফোল্ডারটি কারও কম্পিউটারে ডাউনলোড করে খোলার জন্য ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে স্প্যামটি উইন্ডোজের মূল অপারেটিং ফাইলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ফাইল, ফোল্ডার এবং অনলাইনে যত সাইটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন, তার সবকিছু হ্যাকারের দৃষ্টিসীমার ভেতর পাঠিয়ে দেবে।
পরিচিত বন্ধুদের কাছ থেকে লিঙ্কগুলো শেয়ার হচ্ছে কিভাবে?
এর উত্তর হচ্ছে, প্রথমে হ্যাকার কারো অ্যাকাউন্ট এর দখল নিজের হাতে নিয়ে নিচ্ছে, তারপর ওই অ্যাকাউন্ট থেকে তার সব গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেন্ডদের ওয়াল এ উক্ত লিঙ্কটি পোস্ট করে দিচ্ছে। যেইই ওই লিঙ্কে ক্লিক করছে তার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড চলে যাচ্ছে হ্যাকারের কাছে। মজার ব্যপার হচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন আইডি হ্যাক করার পর হ্যাকার তার পাসওয়ার্ডের কোন পরিবর্তন আনছেন না। ফলে, ভিকটিম বুঝতেই পারছেন না তার অ্যাকাউন্ট তিনি ছাড়াও অন্য কেউ পরিচালনা করছেন।
জিপ ফোল্ডারটি তারা কিভাবে তৈরি করছে?
জিপ ফোল্ডার এর সাহায্যে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে হ্যাকাররা নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করছেঃ
  • অনলাইনে প্রায় ১০০ ওয়েবসাইট আছে যারা ফ্রি Web Hosting Account অফার করে থাকে। হ্যাকাররা প্রথমে যেকোনো ওয়েব হোষ্টিং সাইটে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলছে।
  • এরপর তারা একটি ভুয়া লগিন পেইজ তৈরি করছে। এজন্যে, প্রথমে যে পেজের ভুয়া লগিন পেজ তৈরি করা হবে (যেমন, ফেসবুক) সেটিতে গিয়ে রাইট বাটনে ক্লিক করে View page source করে এইচটিএমএল কোডগুলো একটি নোটপ্যাডে কপি করে তা facebook.html নামে সেভ করে নিচ্ছে।
  • তারপর, ডাটাগুলো একটি টেক্সট ফাইলে সেভ করার জন্য তারা একটি PHP Code তৈরি করছে (code.php)।
  • এরপর, একটি ফাকা টেক্সট ফাইল নিচ্ছে যেখানে ভিকটিমের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডগুলো সেভ করা হবে (password.txt)।
  • পরবর্তী ধাপে তারা facebook.html ও code.php এই ফাইলদুটিকে লিঙ্ক করে দিচ্ছে। ফলে, password.txt ফাইলটি code.php ফাইলের সাথে অটোম্যাটিক্যালি লিঙ্কড হয়ে যাচ্ছে।
  • এরপর তারা উক্ত ফাইলগুলো একটি জিপ ফোল্ডারে পরিনত করে তাদের ফ্রি হোষ্টিং এ আপলোড করে লিঙ্কটি ভিকটিমের ওয়াল এ পোস্ট করে দিচ্ছে। যখনই ভিকটিম উক্ত লিঙ্কটিতে ক্লিক করছে, সাথে সাথে তার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডটি হ্যাকারের তৈরি করা password.txt ফাইলে গিয়ে সেভ হচ্ছে।
কিভাবে নিরাপদ থাকব?
  • ফেসবুকের ফিশিং থেকে বাচতে হলে প্রথমেই যে সতর্কতাটি অবশ্যই অবলম্বন করতে হবে তা হল, কোন ধরনের অযাচিত লিঙ্কে ক্লিক করবেন না; তা সে যেখান থেকেই আসুক না কেন।
  • দেখে নিন, আপনার ফেসবুক আইডির প্রোটেকশন স্ট্যাটাস কততুকু। এজন্য, http://www.facebook.com/login.php এই লিঙ্কে গিয়ে উপরে ডান কোণায় Overall protection এ লক্ষ্য করুন। যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল হয়, তাহলে High (সবুজ রং চিহ্নিত) থাকবে।
  • যদি নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হয়, তাহলে low লেখাটি থাকবে। এরকম নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল করবার জন্য আপনাকে তিনটি অপশন দেওয়া হবে। প্রথম অপশন থেকে আপনি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একাধিক মেইল যোগ করবেন। দ্বিতীয় অপশনে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপনার মুঠোফোন নম্বর যোগ করতে হবে। তৃতীয় অপশনে নিরাপত্তা প্রশ্ন যোগ করুন। মনে রাখবেন, এটি সেটিং করার পর আপনি যখনি প্রথমবার কোন পিসি অথবা ব্রাউজার ওপেন করবেন তখনি আপনার মুঠোফোনে ৫ সংখ্যার একটি নিউমেরিক কোড পৌছেঁ যাবে। আপনি আপনার মুঠোফোন হতে প্রাপ্ত কোডটি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট এ লগিন করতে পারবেন।
  • মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সাধারণত প্রথমে ই-মেইল আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করে। আপনার ফেসবুক ইমেইল আইডি ও অন্যান্য পারসোনাল ইনফরমেশন যাতে কেউ দেখতে না পায়, সেজন্য Edit profile এ গিয়ে Contact information এ সেন্সেটিভ ইনফরমেশনের প্রাইভেসিগুলো “Only me” করে রাখুন।
  • ফেসবুক ও ইমেইল দুটির জন্য দুই ধরনের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন। ইমেইলের প্রোটেকশন স্ট্যাটাস শক্ত আছে কিনা তা ভাল করে দেখে নিন।
  • ইমেইলের ক্ষেত্রে রিকভারি ইমেইল কার সাথে করা আছে তা ভাল করে দেখে নিন এবং রিকভারি ইমেইলের প্রোটেকশন স্ট্যাটাস কতটুকু তাও ভাল করে দেখে নিন। মনে রাখবেন, আপনার রিকভারি ইমেইলগুলোর কোনটি হ্যাক করতে পারলে অন্য সবগুলো (এমনকি ফেসবুকও) মুহূর্তের মধ্যে হ্যাক করা কোন ব্যাপার না।
  • ইমেইল ও ফেসবুকের সিকুরিটি কোশ্চেন ও আনসারগুলো এমনভাবে নির্বাচন করুন যেটি আপনার কাছে কমন কিন্তু অন্যদের কাছে পুরা আনকমন।
  • অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য যতটা সম্ভব কম দেয়ার চেষ্টা করুন।