শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

যারা HD মুভি ডাউনলোড করতে পারেন না, তারা দেখে নিন কিভাবে নতুন HD মুভি ফ্রীতে ডাউনলোড করতে হয় !

যারা HD মুভি ডাউনলোড করতে পারেন না, তারা দেখে নিন কিভাবে নতুন HD মুভি ফ্রীতে ডাউনলোড করতে হয় !

আমরা অনেক সময় HD মুভি ডাউনলোড করতে পারি না বা ভাল ওয়াপসাইট খুজে পাই না। তাই আমি আজকে দেখাব কিভাবে খুব সহজে মুভি ডাউনলোড করতে হয়।
আজ আমি একটি মুভি ডাউনলোড করার খুবই দরকারি একটা Software এর সাথে পরিচয় করে দিব, যে Software এর সাহায্যে সহজেই নতুন সব HD মুভি ফ্রীতে ডাউনলোড দিতে পারবেন………..
তাহলে চলুন শুরু করা যাক…
Software এর নাম হচ্ছে GraboidVideo-5.1.4.0,
ফাইল সাইজ মাত্র দেড় মেগাবাইট (1.5 MB)।
এই Software টি একদম ফ্রীতে ব্যবহার করা যায় এবং নতুন মুভিগু্লো ফ্রীতে ডাউনলোড করা যায়।
Software টি ফ্রীতে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
কিভাবে Software দিয়ে ফ্রীতে মুভি ডাউনলোড করা যায় চলুন দেখে নেয়…
প্রথমে এখানে ক্লিক করে Software টি ফ্রীতে ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল দিন

ইন্সটল দেয়ার সময় অবশ্যই নেট চালু রাখতে হবে



তারপর ইন্সটল হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন

ইন্সটল হয়ে গেলে Launch Graboid এ ক্লিক করতে হবে
অথবা Desktop থেকে Graboid Video open করুন

তারপর নিচের মত করে software টি open হবে

তারপর create new account এ ক্লিক করতে হবে
তাহলে নিচের মত একটা পেজ open হবে

ইমেইলের জায়গায় আপনার Real ইমেইল দিন
তারপর আপনার ইমেইলএ প্রবেশ করুন এবং verify করেন

তারপর

Start button এ ক্লিক করুন।।
ব্যাস হয়ে গেল এখন আপনি যে কোনো মুভি ফ্রী তে ডাউনলোড করতে পারেন

The Moz Blog

The Moz Blog

The Web Developer's SEO Cheat Sheet 2.0

The author's posts are entirely his or her own (excluding the unlikely event of hypnosis) and may not always reflect the views of Moz.
February 16, 2014 - Updated to Version 2.2:
We've uploaded a brand new version of the PDF. It now reflects changes to Google's mobile user-agents.
It is my honor and privilege today to introduce the brand-new version of The Web Developer's SEO Cheat Sheet. This free and downloadable document covers all of the important SEO code and best practices that are needed by online marketers and developers.

Benefits and features

  • Save the Google searches for your new inbound visitors: This cheat sheet covers all of the details you would normally spend hours researching online. This leaves you with more time for the important things (like laughing at JennaMarbles or pretending you don't watch Vine compilations).
  • Available both online and offline: You can store the free downloadable PDF wherever you want. Save a hard drive, kill a tree! (It's printable.)
  • Updated for the inbound marketer: With new sections like responsive design and rel="author", you can uphold your flawless nerd reputation by publicly shaming those who make syntax errors in their code (and are foolish enough not to download this cheat sheet!).

Information covered

If it is important, we have you covered!

Page 1

  • Important HTML Elements
  • HTTP Status Codes
  • Canonicalization
  • URL Best Practices
  • Webmaster Tools

Page 2

  • Robot Control Syntax
  • Important User-agents
  • Sitemap Syntax

Page 3

  • Facebook Open Graph
  • Twitter Cards
  • Google+
  • Google+ Authorship
  • Google+ Publisher
  • Pagination

Page 4

  • Targeting Multiple Languages
  • Mobile Web Development (Responsive Design)

Backstory:

It has been five years since I created the first version of this cheat sheet. Frustrated with how hard it was to find technical SEO information, I stayed up an entire night crafting the original resource. Without getting a second opinion, I blindly posted it on the company blog and went into the office.
At the time, I was still establishing my professional self and was an intern at Moz. The company was small, and the future of my unpaid internship was uncertain.
The blog post announcing the new cheat sheet resource went on to become the most popular blog post (as judged by thumbs) in the company's history (in fact, it still is!). The cheat sheet was heavily distributed on popular sites of the day and drove an incredible amount of much-needed links to the still-developing SEOmoz domain.
The Moz team was super excited about how many people the resource was helping, and I gained some desperately needed clout. When Rand tried to show his excitement over the piece, I learned an incredibly valuable lesson about intra-office communication.
Note to interns everywhere. Don't actually make vocal sound effects when your get the opportunity to "blow up" your boss's impromptu pound handshake.
Rand: Great job, Danny! Pound it!
*Reaches out fist in congratulatory manner*
Me: BOOOOM! POW! EXPLOSION!
*Confusion followed by reddened face*… *Saddened apology*
Rand: Erm... good job anyways!
Despite my social mishap :-), Rand and the team continued supporting me and this resource. Today's version is better than the original and even more valuable.
Looking back, the Moz team was absolutely fundamental in shaping me into the person I am today. My career at Moz was some of the most important years of my life thus far.
After leaving Moz in early 2011, I used the many habits and skills I learned from the talented team and continued to step up my career.
Thanks to Moz (and partly due to the original version of this cheat sheet), I am now living my ideal lifestyle by pursuing my bucket list full-time. You can read more about my story here.

Thank you!

A very special thanks to Cyrus and Dawn Shepard for making this new resource a reality. Your long hours and persistence have been inspiring. Thanks to the Moz design team for your artful assets and gleeful glamour (those are good things!).
Lastly, thanks to all of you for downloading and making this thing a success. You all rock!
About DannyDover — Danny Dover is a passionate online marketer, influential writer and obsessed bucket list completer. He is the author of the best selling book Search Engine Optimization Secrets and the founder of Intriguing Ideas LLC. Before starting his own company, Danny was the Senior SEO Manager at AT&T and the Lead SEO at SEOmoz.org.

Do you like this post?

ফ্রি ডাউনলোড!! দরকারী সব সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন একসাথে!!!


ফ্রি ডাউনলোড!! দরকারী সব সফটওয়্যার ডাউনলোড করে নিন একসাথে!!!
কমিউনিটি, সবাইকে আমার আন্তরিক সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউন। টাইটেল দেখেই বুঝতে পারছেন এই পোষ্টটি ফ্রি সফটওয়্যার ডাউনলোড নিয়ে।
ইন্টারনেটে  কাজ করতে  হলে   বিভিন্ন ধরনের  সফটওয়্যার   ব্যবহার করতে হয় ।  সফটওয়ার  এর ব্যবহার জানতে   হলে আগে  সফটওয়্যার টি    ডাউনলোড করতে হবে । সফটওয়ার  ডাউনলোড  করতে গিয়ে  অনেকে  অনেক ঝামালায় পড়েন। কি  ধরনের সফটওয়ার   ডাউনলোড করবেন,  কোথা থেকে  ডাউনলোড করবেন তা  অনেকেই বুঝতে পারেন না। অনেক  সময় দেখা যায়  কেঊ  একটা সফটওয়্যার   ডাউনলোড  করার জন্য একটা লিঙ্ককে  ক্লিক  করেছে  কিন্তু ওই লিঙ্কটা  আর একটা  লিঙ্ক কে রেফারেন্স করছে।
এভাবে আপনি বিভিন্ন লিঙ্ক এর মাধ্যমে ঘুরছেন কিন্তু কাজ এর কাজ কিছুই হচ্ছে  না   আপনে  কোথায় গিয়ে  সফটওয়্যার  ডাউনলোড করবেন তা বুঝে ওঠতে  পারছেন না।  এই সমস্যায়  আপনাকে যেন আর না পরতে হয়  তার জন্য আমার  ছোট্ট এই প্রচেষ্টা।
এই  লিঙ্ক কে   লিক করুন  ঢুকে  যান ডাউনলোডের  জগতে।

সওয়্যার ডাউনলোডফট
1. Avast free antivirus 2014
2. KM Player
3. CCleaner
4.Youtube Downloader
5. DriverMax
6. PhotoScape
7. Malwarebytes Anti-Malware
8. WinRAR (32-bit)
9. ManyCam
10. WinZip
11.VLC Media Player
12.Mozilla Firefox
laravel   এর  কোড  ডাউনলোড  করতে    নিচের  সাইট  গুলো ব্যাবহার করতে পারি।
1.Laravel 
2. Laravel  site
আরো অনেক অনেক নামী-দামী সফটওয়্যার পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ডাউনলোড করে নিন Viber এর ডেক্সটপ/ল্যাপটপ ভার্সন আর কথা বলুন ফ্রী তে।

ডাউনলোড করে নিন Viber এর ডেক্সটপ/ল্যাপটপ ভার্সন আর কথা বলুন ফ্রী তে।

 Viber ব্যবহার করেন আপনাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো Viber এর ডেক্সটপ/ল্যাপটপ ভার্সন।
viber-for-windows-10-700x452
Viber এর সুবিধা সমূহঃ
  • HD সাউন্ড কওয়ালিটির সাহায্যে ফ্রি কল
  • সর্বোচ্চ ৪০ জনকে নিয়ে গ্রুপ তৈরি করা যায়
  • সটীকার এবং ইমোটিকনস ম্যাসেজিং সিস্টেমকে মজাদার করে তোলে
  • আপনার অবস্থান শেয়ার করতে পারবেন
  • কুইক রিপ্লাই এর মাধ্যমে তাতখনিকভাবে ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারবেন
  • পজ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আপনার viber বন্ধ থাকলেও আপনি কল ও ম্যাসেজ রিসিভ
    করতে পারবেন
  • অপারেটিং সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন – আপনার ডিভাইস এর গ্যালারি থেকে সরাসরি ফটো এবং
    ভিডিও পাঠাতে পারবেন
  • কোন বিজ্ঞাপন নেই এবং ১০০% ফ্রি

ডাউনলোড লিঙ্ক :-  http://www.anafile.com/dbjzds64ksu9.html
ডাউনলোড করার নিয়মঃ
p
আপনার ডাউনলোড করা RAR ফাইলটি Winrar দিয়ে ওপেন করুন । এবার সেটআপ ফাইলে ক্লিক করে   ইন্সটল করে নিন । ইন্সটল করার পর মোবাইল এ একটা কোড যাবে ঐ কোড এন্টার করার পর কম্পিউটার এ ভাইবার চালু হয়ে যাবে ।

মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

মেমোরি কার্ড অথবা পেনড্রাইভ কে র‍্যাম হিসাবে ব্যবহার করুন(১)

মেমোরি কার্ড অথবা পেনড্রাইভ কে র‍্যাম হিসাবে ব্যবহার করুন(১) 

মেমোরি কার্ড অথবা পেনড্রাইভ কে র‍্যাম হিসাবে ব্যবহার করুন আর স্পিড আপ করুন পিসির

বিষয়ে অনেকে অনেক ভাবে পোস্ট করেছে তার পরেও আমি ভাল করে দেখানের চেষ্টা করছি।
দুটি পদ্ধতির কথা জানাবো একটি উন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম কাজ করবে এবং অপরটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন কাজ করবে
প্রথমে এ বিষয়ে একটু ধারনা থাকা দরকার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ কম্পিউটারের কাজের জন্য দুটি মেমোরি ব্যবহার করে:
. Physical Memory (যা আমাদের কাছে র‍্যাম হিসেবে পরিচিত)
. Page File (এটি একটি ভার্চুয়াল মেমোরি ফাইল, যা হার্ডডিস্ক স্টোর করা থাকে)
Physical Memory যখন সম্পুর্ণ হয়ে যায় তখন অতিরিক্ত মেমোরি হিসেবে Virtual Memory ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য যে Physical Memory, Virtual Memory অপেক্ষা দ্রুত কাজ করে এবং Virtual Memory, Physical Memory অপেক্ষা কম গতি সম্পন্ন
আপনে খুব সহজেই ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে Page File হিসেবে ব্যবহার রতে পারেন।

সকল অপারেটিং সিস্টেম অর্থাত উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন

পদ্ধতিটি

# আপনার পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটিকে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। [ড্রাইভটি নুন্যতম গিগাবাইটের হতে হবে। তবে গিগাবাইট হলে সবচেয়ে ভাল হয়]
# My Computer আইকনে রাইট ক্লিক করুন এবং Properties যান। অথবা মাই কম্পিউটারে প্রবেশ করে যেকোন খালি জায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করেও এটি করা যায়
# Advanced > Performance > Settings > Advanced > Change ক্লিক করুন
# এখানে ডিফল্ট হিসেবে সাধারনত No paging file সিলেক্ট করা থাকে
নিচে ছবিটি দেখুন।

# এবার আপনার পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি সিলেক্ট করে Custom Size ক্লিক করুন
# Initial size এবং Maximum size একই সংখ্যা লিখুন। আপনি যতটুকু জায়গা ্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে চান এখানে সেটাই লিখতে হবে
# উইন্ডোজের মেগাবাইট ফ্রি জায়গার প্রয়োজন হয়। তাই Initial size এবং Maximum size Available Space থেকে নুন্যতম মেগাবাইট কম লিখতে হবে। অর্থাৎ আপনার পেন ড্রাইভে যতটুকু জায়গা রয়েছে তার চাইতে -১০ মেগাবাইট কম লিখুন
# এবার Apply, OK এবং OK দিয়ে কম্পিউটারটি Restart করুন
উল্লেখ্য যে আপনি এই পদ্ধতিতে হার্ডডিস্কের ফ্রি স্পেসকেও Page File হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এটি কম গতিসম্পন্ন হওয়ায় কমপক্ষে গিগাবাইট মেমোরি ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন

এবারউইন্ডোজভিস্তাএবংউইন্ডোজসেভেনএরপদ্ধতিটি

উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন মাইক্রোসফট প্রযুক্তির বিশ্বে একটি নতুন প্রযুক্তির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়েছে। তা হল Ready Boost Technology. এটির সাহায্যে পেনড্রাইভ বা যে কোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারের তৃতীয় মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা যায়
Ready Boost অ্যাকটিভেট করতে হলে প্রথমে আপনার পেনড্রাইভ অথবা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন এবং নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
# My Computer ওপেন করুন
# Removable Disk Drive টির Properties যান
# Ready Boost ট্যাবটিতে ক্লিক করুন
# আপনি যতটুকু জায়গা মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করতে চান তা সিলেক্ট করে Ready Boost Enable করুন
এই বিষয়গুলো লক্ষ করুন:
# আপনি Ready Boost ব্যবহার করুন আর নাই করুন, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন আপনার কম্পিইটারে ব্যবহারের জন্য নুন্যতম ৫১২ মেগাবাইট ্যাম থাকা প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, গিগাবাইট ্যাম থাকলে ভাল হয়
# আপনি যখন পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করবেন, তখন আপনার সিলেক্ট করা জায়গাটুকু ফাইল স্টোরেজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন না
# যদি আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করা না যায়, তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করার জন্য নুন্যতম ডাটা ট্রান্সফার রেট ( মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড) এর ঘাটতি রয়েছে। তাই আপনার ডিভাইসটি Ready Boost সাপোর্ট করেনা
সাধারনত সনির এম মেমোরি কার্ড যা সকল সনি এরিকসন মোবাইলৈ ব্যবহৃত হয় তা Ready Boost সাপোর্ট করেনা। কারন এম কার্ডের ডাটা ট্রান্সফার রেট মেগাবাইটের কম। তবে এখনকার বেশিরভাগ মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ এবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ Ready Boost সাপোর্ট করে

পরিক্ষা করে দেখতে দোষ কিসের??

পরিক্ষা করে দেখতে দোষ কিসের?? এবার কোন রকম মাউস ছাড়াই শুধুমাত্র মুখের ইসারায়নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন আপনার পুরো… 

মাত্র ১২.৪৩ MB-র দ্বারা আপনার মাথা কে-ই বানিয়ে ফেলুন আপনার কম্পিউটার-এর মাউস।

এবার আমার মত করে দেখে নিন Software টির Details:

Name: Camera mouse 2012

Size: ১২.৪৩ MB

License: Freeware (অর্থাৎ লাইসেন্স কি-এর গল্প নেই)

OS: Windows XP / Vista / 7 / 8 32-bit

Released on: 24th November, 2012

*Requirements: One computer, Electricity, & Webcam

শুধু ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিলেই হবে।

এবার বলি সফটওয়্যার টি কি করবে, আপনি যখন সফটওয়্যার টি ওপেন করবেন, তখন স্ক্রীন-এ আপনার ছবি ওয়েবক্যাম-এর মাধ্যমে আসবে, এরপর আপনাকে, আপনার মুখের যে কোনও অংশ সিলেক্ট করতে হবে। তারপর সফটওয়্যারটি আপনার দেখিয়ে দেওয়া স্থান কে  ক্রমাগত trace করবে, আর সেই মত মাউস পয়েন্টার-ও নড়বে। তবে মুখের একটি অংশ সিলেক্ট করার সময় নাক কে বাছলেই ভালো হয়, কেননা ওটা মোটামুটি স্ক্রীন-এর মাঝে থাকে, তাই স্ক্রীন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে।

আর কয়েকটি কথা বলি, সফটওয়্যার টি প্রচণ্ড সংবেদনশীল, তাই শুরু করার সময়ের জন্য কিছু সেটিংস্‌ recommend করছি, যাতে আপনাদের ব্যাবহার করতে সুবিধা হয়।প্রথমে, Settings থেকে “Clicking” ট্যাব-এর সব কটি box-এ tick মেরে দিন।

এর পর “Control” tab-এও সব box-এ tick দিন।

 

 

এরপর “Gains”-এর দুটো option-এই “very low” select করুন।

 

 

এরপর “Misc.” tab থেকে প্রথম option টি কে Extreme করুন।

 

 

এরপর Alt+D press করে OK করে দিন।

ব্যাস কাজ শেষ।

এরপর আরামে ব্যাবহার করুন।

এখানে DIRECT ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে

পেনড্রাইভ দিয়েই উইন্ডোজ ইনস্টল

পেনড্রাইভ দিয়েই উইন্ডোজ ইনস্টল 

অনেকের নোটবুকে সিডি বা ডিভিডি রম থাকে না। কিংবা নষ্ট হয়ে যেতে পারে ডেস্কটপের রমটি। রম না থাকলেও পেনড্রাইভ দিয়েই উইন্ডোজ ইনস্টল করা যায়। এজন্য কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট বা তার চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পেনড্রাইভকে বুটেবল করে নিতে হয়। প্রথমে উইন্ডোজের স্টার্ট বাটনে ক্লিক করার পর সার্চ বক্সে পসফ লিখলে যে প্রোগ্রামটি আসবে, তাতে রাইট বাটন ক্লিক করে  Run as administrator হিসেবে ওপেন করুন, ইউজার অ্যাকাউন্ট কনট্রোল ডায়ালগ বক্স এলে ইয়েস চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পট উইন্ডো চালু হলে সেখানে diskpart লিখে এন্টার চাপুন।
 
ডিস্কপার্ট অবস্থায় এলে  list disk লিখে এন্টার চাপলে আপনার সিস্টেমে যেসব ড্রাইভ সংযুক্ত আছে, তার লিস্ট ও পাশে সেটির ধারণক্ষমতা দেখাবে। এখানে ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে, সাধারণত আপনার হার্ডডিস্ক হবে  Disk 0, যার সাইজ গিগাবাইটে দেয়া আছে। নিচেই পাবেন আপনার পেনড্রাইভ Disk 1 অথবা Disk 2এ রকম, যার সাইজ মেগাবাইট আকারে পাবেন।
 
এখান থেকে আপনার পেনড্রাইভটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।Disk 1 আপনার পেনড্রাইভ হলে Disk 1 অথবা উরংশ ২ হলেelect disk 2 লিখে এন্টার চাপুন। এরপর পষবধহ লিখে এন্টার চাপতে হবে। তারপর format fs=ntfs quick লিখে এন্টার চাপলে পার্টিশন তৈরি হবে।
 
এবার ড্রাইভটি ফরমেট করতে হবে। এবার লিখুন ভড়ৎসধঃ ভং=হঃভং য়ঁরপশ এবং এন্টার চাপুন। ফরমেট হতে সামান্য একটু সময় নেবে। এবার exit লিখে এন্টার চাপুন। তারপর বীরঃ লিখে বের হয়ে আসুন। পেনড্রাইভটি বুটেবল হয়ে গেছে।
 
এখন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ডিভিডি (Windows Vista, 7, 8 অথবা ৮.১) থেকে সব ফাইল কপি করে পেনড্রাইভে পেস্ট করে নিন। ইমেজ ফাইল বা ISO  ফাইল থাকলে সেটাকে উইনরার, উইনজিপ অথবা সেভেন-জিপ যে কোনো একটি দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে পেনড্রাইভে কপি করতে হবে।
 
যে কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে, তাতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে পিসি চালু করে বুট মেন্যু থেকে পেনড্রাইভ বা রিম্যুভেবল ডিস্ক নির্বাচন করে দিন। উইন্ডোজ ইনস্টলেশন শুরু হয়ে যাবে।

কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট

কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট 

আমরা সবাই চাই আমাদের ব্লগটাকে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করতে । এজন্য নতুন কোন কিছু কোথাও দেখলে অনেকের ইচ্ছা জাগে আমার প্রিয় ব্লগটাতে আমি ও যদি ব্যবহার করতে পারতাম নতুন কিছু। হ্যা সবকিছু সম্ভব প্রয়োজন চেষ্টা ।অনেক কাজ একবার হয় কোনটা আবার একের অধিকবার। আর একজন খুদে এবয় নতুর  ব্লগার হিসেবে আপনাদের কাছে ছোট একটা টিউন তুলে ধরার চেষ্ট করলাম।চলুন শুরু করা যাক।
কীভাবে আপনার ব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট
এ্যানিমেটেড লেভেল তৈরী করলে আপনার সাইটে কেউ ভিজিট করলে সে যদি ঐ লেভেলের উপর কারছর রাখে তবে সেটি এ্যানিমেট  হবে। চলুন কীভাবে পব্লগে যুক্ত করবেন এ্যানিমেটেড লেভেল উইজেট তার নির্দেশিকা দেখে নি।
ব্লহের ড্যাশবোর্ডে যান> লেঅউটে যান> এডিট এইচ টি এম এল এ যন> এবার Ctrl+F  চাপুন দেখবেন বক্সের বামপাশে সার্চ বক্স ওপেন হয়েছে। ঐ ঘরে
]]> </ b: skin>  এই কোডটি লিখে ইন্টার করুন।  ]]> </ b: skin> এই কোর্ডটি পেলে ঠিক এর পরেই নিচের কোডটি কপি করে পেষ্ট করে দিন।
<b:widget id='Label99' locked='false' title='Labels' type='Label'>
<b:includable id='main'>
<b:if cond='data:title'>
<h2><data:title/></h2>
</b:if>
<div class='widget-content'>
<script src='http://halotemplates.s3.amazonaws.com/wp-cumulus-example/swfobject.js' type='text/javascript'/>
<div id='flashcontent'></div>
<script type='text/javascript'>
var so = new SWFObject(&quot;http://halotemplates.s3.amazonaws.com/wp-cumulus-example/tagcloud.swf&quot;, &quot;tagcloud&quot;, &quot;240&quot;, &quot;300&quot;, &quot;7&quot;, &quot;#ffffff&quot;);
// uncomment next line to enable transparency
//so.addParam(&quot;wmode&quot;, &quot;transparent&quot;);
so.addVariable(&quot;tcolor&quot;, &quot;0x333333&quot;);
so.addVariable(&quot;mode&quot;, &quot;tags&quot;);
so.addVariable(&quot;distr&quot;, &quot;true&quot;);
so.addVariable(&quot;tspeed&quot;, &quot;100&quot;);
so.addVariable(&quot;tagcloud&quot;, &quot;<tags><b:loop values='data:labels' var='label'><a expr:href='data:label.url' style='12'><data:label.name/></a></b:loop></tags>&quot;);
so.addParam(&quot;allowScriptAccess&quot;, &quot;always&quot;);
so.write(&quot;flashcontent&quot;);
</script>
<b:include name='quickedit'/>
</div>
</b:includable>
</b:widget>
সেভ টেমপ্লেট এ ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন। কাজ শেষ।

ব্লগস্পট ব্লগে যোগ করুন ফেসবুক কমেন্ট বক্স

ব্লগস্পট ব্লগে যোগ করুন ফেসবুক কমেন্ট বক্স 

আশা করি সবাই ভাল আছেন আল্লাহর রহমতে । পড়াশোনার জন্য চুয়াডাঙ্গার বাহিরে থাকা হয় বলে নিয়মত পোস্ট দেওয়া হয়ই না । এবার কাজের কথাতে আসি আমাদের অনেকেয় সহজে ব্লগিং এর জন্য ব্লগস্পট ব্যবহার করে থাকি । কেননা ব্লগস্পট ব্যবহার করা জুমলা বা ওয়ার্ডপ্রেস এর চেয়ে অনেক সহজ । সোজা কথাই ব্লগিং এর জন্য ব্লগস্পট সেরা ।
আজকে আপনাদের সাথে এই ব্লগস্পটের একটা মজাদার ট্রিক্স শেয়ার করব । আমি শেখাব কিভাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আপনার ব্লগস্পট ব্লগে ফেসবুক কমেন্ট বক্স যোগ করবেন । ব্লগে কমেন্ট বক্স যোগ করলে যে কেও সহজে কমেন্ট করতে পারে । এতে আপনার ব্লগে ভিজিট করতে সাছন্দ বোধ করবে সবাই । এছাড়া কমেন্ট করার সাথে সাথে কমেন্টর এর ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার হয়ে যাবে পোস্ট টি । এতে ভিসিটর বাড়বে আপনার ব্লগে , এতে কোন সন্দেহ নেই ।
যেভাবে যোগ করবেন –
১. প্রথমে আপনার ব্লগস্পট ব্লগে সাইন ইন করুন । ড্যাশবোর্ড এ যেয়ে Design মেনুতে ক্লিক করুন ।
২. তারপরে Edit Html এ ক্লিক করুন ।
৩. Expand widget template এর ঘরে টিক চিহ্ন দিএ দিন
৪. এরপর ctrl+F চাপুন । এবং এই কোড টি সার্চ করুন <data:post.body/>
৫. যখন পেয়ে যাবেন তখন উক্ত <data:post.body/> কোড টির নিচে নিম্নক্ত কোড টি কপি করে পেস্ট করুন ।
<h3>Post Comment</h3>
<div id=’fb-root’/><script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1’/><fb:comments expr:href=’data:post.url’ num_posts=’5′ width=’500’/>
সংক্ষেপে -
Sign in to your blogspot blog> Design > Edit Html > mark expand widget template.
Now Find this html code in your template by pressing  ctrl+F    .
<data:post.body/>
এখন নিচের কোড টি ঠিক <data:post.body/> এর নীচে Paste করুন।
<h3>Post Comment</h3>
<div id=’fb-root’/><script src=’http://connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1’/><fb:comments expr:href=’data:post.url’ num_posts=’5′ width=’500’/>
তারপরে সেভ করে ফেলুন । ব্যাস কাম কমপ্লিট । ধন্যবাদ আপনাকে

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৫

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক

জটিল ১৬টি অত্যান্ত প্রয়োজনীয় ই-বুক 

আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে আবারও স্বাগতম জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করছি। আজ আপনাদের জন্য রয়েছি খুবই প্রয়োজনীয় কয়েকটি ই-বুক। আশা করি এই বই গুলো আপনাদের কাজে আসবে ও আপনাদের ভাল লাগবে। নিচে লিংক দেয়া আছে পচন্দ মতো ডাউনলোড করে নিন।

Microsoft Office 2010: Ultimate Tips and Tricks by Matt Smith

বইটি লেখা হয়েছে মাইক্রোসফট অফিস ২০১১ এর উপর। এর সকল ধরনের টিপস সহ ব্যবহারবিধি পাবেন এখানে। বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা ৩০টি, সাইজ ২.১ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Windows Small Business Server 2011 Administrator’s Companion

বইটির প্রকাশনা করেছে মাইক্রোসফট, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতা সংখ্যা ৮৩২টি, সাইজ ২১.৯১ মেগা বাইট।
ডাউনলোড লিংক অথবা ডাউনলোড লিংক

Python Testing Cookbook By Greg L. Turnquist

এই বইটি কোন রান্না শিখার বই না। এটি হল পাথোন এর উপর লেখা একটি বই। এই বইটিতে যুক্ত করা হয়েছে কোডের সর্ববৃহত কালেকশান। এটি পাথোন এর উপর একটি ফাটাফাটি বই, খুবই সহজ ভাষায় এই বইটি লেখা হয়েছে। যাতে করে আপনি সহজেই সব কিছু বুঝতে পারেন ও শিখতে পারেন। বইটি প্রকাশ করেছে Pa.ck.t, রিলিজ হয়েছে ২০১১ সালে, পাতার সংখ্যা ৩৬৪টি, সাইজ মাত্র ৯ মেগাবাইট।
ডাউনলোড লিংক

Algebraic Geometry 1: From Algebraic Varieties to Schemes

এবারের বইটি একটি মূল্যবান বই বলা যায়। অনেক আগের এই বইটি। এই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে, বইটির সাই্জ মাত্র ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Theory of Laminated Plates

বইটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এর পাতা সংখ্য ১৫৩টি, সাইজ ১ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Function Fields and Moduli of Algebraic Varieties

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৭ সালে, পাতা সংখ্য ১৫৫, সাইজ ২ মেগা বাইট।

ডাউনলোড লিংক

Differential Algebraic Groups of Finite Dimension

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ১৬১টি, সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Complex Algebraic Curves

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে, পাতা সংখ্যা ২৭৬, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Mathematical Logic (Undergraduate Texts in Mathematics)

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালে, পাতা সংখ্যা ২২৫টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

J-Holomorphic Curves and Quantum Cohomology

বইটির প্রকাশ কাল ১৯৯৪ সাল, পাতা সংখ্যা ২০৯, সাইজ ২ মেগাবাই্ট।

ডাউনলোড লিংক

Enriques Surfaces I

বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে, এতে পাতা রয়েছে ৩৯৭টি, সাইজ হল ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Computational Aspects of Commutative Algebra

এই বইটিরও প্রকাশ কাল ১৯৮৯ সাল। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৫৪টি, সাইজ ২ মেগাবাইট

ডাউনলোড লিংক

Windows Phone 7 Recipes: A Problem-Solution Approach

এই বইটি আবার নতুন সংরক্ষণ। প্রকাশ কাল ২০১১, পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৬৮টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Rigid Local Systems

এই বইটি মোটামুটি পুরাতন, ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। পাতার সংখ্যা ২৩২টি, সাইজ ২ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

Operator Functions and Localization of Spectra

এই বইটির বেশি আগের নয়, প্রকাশ কাল ২০০৪ সাল। পাতার সংখ্যা ২৭০টি, মেগাবাই্ট হল ২।

ডাউনলোড লিংক

Python 3 Web Development Beginner’s Guide

এই বইটি নতুন ২০১১ সালের। এটি প্রকাশ করেছে Pa,c,kt Publis,hing, পাতা সংখ্যা ৩৩৬টি, সাইজ ৫ মেগাবাইট।

ডাউনলোড লিংক

  • WUpLoad
  • FileSonic
প্রত্যেকটি বইয়ের আলাদা আলাদা লিংক দেয়া হল, যাতে সহজে ডাউনলোড করা যায়। আর বইগুলো অনেক মূল্যবান। তাই যত্ন করে রাখবেন, যদি আপনার কাছে ভাল লাগে। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ….

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার

ফ্রী ডাউনলোড করুন সি সি ওয়েব মাস্টার 

আমার প্রথম টিউন এটি টিউনার পেজে। আশা করি ভাল না লাগলেও খারাপ লাগবে না। টিউনটি আমি আমার নিজের বানানো ছোট্ট একটি সফটওয়্যার সি সি ওয়েব মাস্টার নিয়ে করেছি। যারা নতুন ব্লগিং করেন বা যারা নতুন ওয়েব ডেভেলপার তাদের কাজে আসবে এটি অনেক। তাছাড়া এটি আপনার সময় বাঁচাবে।
এই সফটওয়্যার এ যা থাকছে-
  • ফ্লাশ এমবেড
  • লিংক মেকার
  • এড ইমেজ

ফ্লাশ এমবেড

আমারা অনেক সময় সাইটে ফ্লাশ ফাইল এড করে থাকি। অনেকে ফ্লাশ ফাইল দেখানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলায় প্লাগিন ইউস করেন। আমিও করতাম আগে। কিন্তু এখন আর করতে হবে না সেই ঝামেলা। আপনি খুব সহজে আপনার সাইটে ফ্লাশ ফাইল এমবেড করে দেখাতে পারেন।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। প্রথমে আপনার ফ্লাশ ফাইলটি সাইটে আপলোড করুন। তারপর সি সি ওয়েব মাস্টার –এর ফ্লাশ এমবেড ট্যাবের(উপরের চিত্রে) Width ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ফ্লাশ ফাইলটির ইউআরএল দিন, যেমন: http://computerclubbd.com/wp-content/uploads/2011/11/cc_banner_468x60_swf.swf
তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি আপনার সাইটে পেস্ট করুন(যেখানে ফ্লাশ ফাইলটি দেখাতে চান)।

লিংক মেকার

অনেক সময় অনেক সাইটে কমেন্ট করি আমরা। নিজের সাইটের ব্যাক লিংক বাড়ানোর জন্য নিজের সাইটের লিংক কমেন্টে দিয়ে থাকি। সাইটের এড্রেস টাইপ করে দিলে অনেক সময় সুন্দর দেখায় না। তাই টেক্সটকে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া আমরা আমাদের সাইটে যদি কোন লিংক দেতে চাই তাহলে এটির মাধ্যমে দিতে পারব।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Link Maker ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Text ঘরে লিখুন যে টেক্সটি লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং URL ঘরে যে লিংক হিসেবে টেক্সটি ব্যবহার করবেন সেই ইউআরএল দিন। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই লিঙ্কটি দেখা যাবে।

এড ইমেজ

আমরা অনেক সময় ইমেজ আপলোড করে অথবা মিডিয়া হতে ইমপোর্ট করে সাইটে দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনি চাইলে কোডিং করে এটি করতে পারেন অথবা অন্য সাইটের ইমেজ আপনি আপনার সাইটে দিতে পারেন এটি ব্যবহার করে।
কিভাবে করবেন:
সি সি ওয়েব মাস্টার ওপেন করলেই এরকম একটা স্ক্রীন আসবে। তারপর Add Image ট্যাবে ক্লিক করুন। Width ঘরে ইমেজটির প্রস্থ এবং Height ঘরে ইমেজটির উচ্চতা দিন। এবার URL ঘরে ইমেজটির ইউআরএল দিন, এবার Link ঘরে লিখুন ইমেজটিকে যে লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং Alt Text ঘরে টেক্সট লিখুন যেটি ইমেজ লোড না হলে দেখাবে। তারপরে View Code বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে View Code বাটনের উপরের বক্সে কোড দেখা যাবে। সম্পূর্ণ কোডটুকু মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে কপি করে নিন। তারপরে কোডটি যেখানে পেস্ট করবেন সেখানেই ইমেজটি দেখা যাবে।
কোন জায়গায় যেন লিংক বানানোর সফটওয়্যার দেখেছিলাম তখনই মাথায় আসে এটি। পরে বানিয়ে ফেলি। কিন্তু কোডিং সম্পর্কে জ্ঞান অল্প থাকায় মনমত বানাতে পারি নি। এখানে টিউন করব কিনা অনেক ভাবছি। সব এক্সপার্ট যদি আমার সফটওয়্যারটা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে? কিন্তু কি আর করব, টিউনটা আগে করাছিল, কপিপেস্ট করে সামান্য এডিট করলাম। শুনেছি এতে নাকি এসইও এর জন্য সুবিধা হয়।
ধন্যবাদ।

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য

দৈনন্দিন হিসেব নিকেশ রক্ষায় সমস্যা, তাহলে এই সফটওয়্যার আপনার জন্য 


ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত কাজে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে হিসেব নিকেশ এর গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই হিসেব নিকেশ রক্ষা করা ও অনেক কঠিন কাজ। তবে সঠিক হিসেব নিকেশ এর অভাবে লোকসান অবধারিত। তাই তো এই সফটওয়্যার আপনার অনেক কাজে দিবে। এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সকল আয় ব্যয় এর হিসেব রাখতে পারবেন। চলুন দেখি এই সফটওয়্যার দিয়ে আর কি করা যায়?
1. Secure Login System: আপনার অবর্তমানে কেউ যাতে আপনার ব্যক্তিগত হিসেব দেখতে না পারে সে জন্য এর শুরু তে রয়েছে Login Panel.
2015-01-21_145259
2. Unlimited Account: এর মাদ্ধমে আপনি যত খুশি তত Account Create করতে পারবেন।
2015-01-21_145356
3. Unlimited Debit/Credit: এর মাদ্ধমে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে Unlimited Debit/Credit করতে পারবেন।
2015-01-21_145507
2015-01-21_145530
4. Account Ledger/Transaction Report: আপনি Account Wise অথবা Date Wise Report দেখতে পারবেন। সেই সাথে PDF ফরম্যাটে সেভ করতে পারবেন।
2015-01-21_145801
2015-01-21_145644
2015-01-21_145907
5. Account Summary: আপনার সব অ্যাকাউন্ট দেখতে এবং তথ্য হাল নাগাদ এর কাজে লাগবে। এছাড়া Database Backup/Restore তো আছেই।
2015-01-21_145713
2015-01-21_145734
Click Here To Know More
Click Here To Watch User Guide
Download-NOW4

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে

যে ভাবে অন্য কোন সাইটে আপনার সাইটে দেখাবেন আইফ্রেম এর মাধ্যমে 


বন্ধুরা সবাই আশাকরি আল্লাহ্‌ এর রহমতে খুব ভালো ও সুস্থ আছেন । আমি সেম খুব ভালো ও সুস্থ আছি । যাই হোক আজকেও আমি আপনাদের জন্য ব্লগ বিষয়ক পোস্ট নিয়ে এলাম তবে
এটা বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । আমার টাইটেল দেখে হয়তো অনেকে ব্যাপারটা বুজতে পারেননি এই Iframe আবার কি ? চিন্তা করবেন না সব বুঝিয়ে দিছি ।
Iframe এর কাজ হল যেকোনো ওয়েব পেজ মানে ওয়েবসাইট এর পেজকে আপনার ব্লগে প্রদর্শন মানে দেখানো । হয়তো আপনি চাইছেন আমার ব্লগটিকে আপনি আপনার ব্লগের কোন
এক যাইগাই রাখতে চান তাহলে এই Iframe ব্যবহার করে আপনি কাজটি খুব সহজে করতে পারবেন । এটা খুব কাজের এবং দরকারি একটি বিষয় । আমাদের অনেকেরি এই কাজটা
অনেক সময় কাজে আসে কিন্তু না জানার কারনে এটা করতে পারিনা । যাই হোক তাহলে আজকে থেকে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না এই বিষয়ে ।
তাহলে বিষয়টি বিস্তারিত বুজতে পারলে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে এটা আপনার ব্লগে ব্যবহার করবেন । খুব সোজা ব্যবহার করা মাত্র এক ক্লিকে যুক্ত করতে পারবেন । তাহলে দেখে নিন এটা কিভাবে কাজ করে ।
আমি যেহেতু ব্লগার নিয়ে পোস্ট করছি তাই নিয়মটি আমি ব্লগার ব্লগের হিসাবেই দেখাবো ।
১// আপনার ব্লগার ব্লগ লগইন করুন  । এবার একটি কথা এটি আপনি আপনার ব্লগে Layout বা পোস্টেও ব্যবহার করতে পারেন ।
২// এবার আপনি যদি চান আপনার ব্লগ এর কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন তাহলে Layout > Add a Gadget > HTML/Javascript এ করুন আর যদি চান কোন একটি পোস্টে দেখাবো তাহলে পোস্ট করার সময় নীচের কোড গুলো HTML হিসাবে পোস্ট করুন ।
<iframe src=”http://www.myblogger-tricks.com” width=”300” height=”300“> </iframe>
নোটঃ আপনি ইছে করলে উপরের width , height = 300 কে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার দরকার মতো
৩// এবার Save করে দিন বা Post করে দিন ।
♦ তাহলে আশাকরি জিনিসটি আপনাদের ভালো লাগলো আপনি যদি আমার ব্লগটিকে সত্যি পছন্দ করেন তাহলে এইভাবে আপনি আমার ব্লগটিকে আপনার ব্লগে যুক্ত করে রেখে দিতে পারেন । কোন রকম সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন আমি সব সময় আছি ।

ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানোর কয়েকটি মাস্টার টিপস 

আজকে ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানো নিয়ে কয়েকটি কথা বলবো যা আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়িয়ে দিবে ১০০% গ্যারান্টি। কারন যারা একেবারে নতুন তারা ওয়েবসাইট এর স্পীড নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাই থাকেন। যাহোক কাজের কথায় আসি।
১। সবার আগে আমি মনে করি যে বিষয় টি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ভালো হোস্টিং। কারন যে মাটিতে ফসল ফলাবেন সেই মাটি যদি ভালো না হয় তাহলে যতই কিছু করেন না কেন তেমন কোন ফল পাবেন না বা কোন কাজ হবে না। আমদের অনেকেই সবসময় সস্তা হোস্টিং খোঁজে। মনে রাখবেন আপনি ৫০ টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং পাবেন আবার ২/৩ হাজার টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং কিনতে পারবেন। এখন আপনি নিজেই ভাবুন কোন কোয়ালিটির হস্টিং কিনবেন।
আমি মনে করি আপনি যদি সত্যি সত্যি এই পেশায় আসতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো মানের হোস্টিং আপনাকে কিনতে হবে। আমি অনেক বন্ধু ও এই হোস্টিং বাবসার সাথে জড়িত তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কথা গুলো বললাম। আবার আমার কাছে অনেক পরিচিত বা কাস্টমার আসেন যাদের কাছে কোয়ালিটির চেয়ে টাকার গুরুত্ব বেশি। তার মানে এই নয় যে আপনাকে বেশি দামে হোস্টিং কিনতে হবে। কারন অনেকে আবার নিম্নমানের হোস্টিং আপনার কাছে ভালো বলে বেশি দামে চালিয়ে দিতে পারে তাই সাবধান। কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিবেন।
আমার দেখা সবচেয়ে ভালো Domain and Hosting Company হল – GoDaddy.com, Bluehost.com, HostGator.com আপনি চোখ বন্ধ করে এদের কাছ থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন। World Class Service পাবেন গ্যারান্টি দিতে পারি। আমাদের দেশে হরেক রকমের হোস্টিং কোম্পানি দেখতে পাবেন, প্লিজ ওদের কাছ থেকে না নিয়ে সরাসরি উপরে উল্লেখিত মাদার কোম্পানি থেকেই নেয়াই ভালো। আমি দুঃখিত যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার এক্সপেরিয়াঞ্চ একটু ও ভালো না এই সশ্তা হোস্টিং গুলোর। খুবই ঝামেলাই ফেলেছিল দুইটা কোম্পানি আমাকে।
২। আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়াতে অবশ্যই আপনার সাইট কে কম্প্রেস করতে হবে যাতে সাইজ ছোট হয়। সাইজ ছোট হবে সাইট ততো তারাতারি লোড হবে। সাইট এর সাইজ ছোট করার একটা উপায় হল সাইটের gzip অপশনটা অন করা।এর স্পীড
৩। ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহার করা। এটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাটার। অনেক ক্যাশ প্লাগিন আছে এর মধ্যে w3 total cache & wp-super cache সবচেয়ে ভালো বলে আমি করি। আপনার যদি স্ট্যাটিক সাইট হয় মানে হল তেমন কোন পরিবর্তন করতে হয় না তাহলে বলবো wp-super cache প্লাগিন টা ব্যবহার করেন। আর যদি আপনার সাইট ব্লগ হয় তাহলে w3 total cache এইটা ব্যবহার করুন। এর কারন হল ব্লগ সাধারনত পোস্ট এ ভিউ কাউন্টার ব্যবহার করা হয় যে একটা পোস্ট কতবার পড়া হয়েছে।
আপনি যদি w3 total cache ব্যবহার করেন তাহলে এই ভিউ কাউন্টার ঠিক মতো কাজ করবে কিন্তু যদি wp-super cache ব্যবহার করেন তাহলে পোস্ট ভিউ করলে যে কাউন্টার সংখ্যা এক এক করে বাড়বে সেটা বাড়ে না। এর কারন হল এই প্লাগিন আপনার সাইট এর প্রতিটি পেজ বা পোস্ট কে একটা এইচটিএমএল পেজ বানিএ এ ফেলে ফলে নতুন কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট না করলে এর সংখ্যা বারে না। তবে কোন পোস্ট পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট করলে একবারে বাড়ে।
৪। সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল গুলো কম্প্রেস এবং মিনিফাই করে ব্যবহার করা। এই কাজটি ম্যানুয়ালি করলে সবচেয়ে ভালো হয়। গুগলে সার্চ দিলে অনেক সাইট পাবেন যেখানে আপনার সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল Minify এবং Compress করতে পারবেন।
৫। যত পারেন HTTP request সংখ্যা হ্রাস এর চেষ্টা করুন। কারণ প্রতিটি HTTP request এর সাথে নতুন নতুন কানেকশন বা সেশন যুক্ত থাকে।
৬। যে ছবি গুলো আপলোড করবেন সেগুলো আগেই অপ্টিমাইজ করে নিতে পারেন। এর জন্য অনেক টুলস এবং সাইট আছে তবে আপনি ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন। এটা অনেক ভালো। তবে ব্লগ সাইট হলে তো এটা সম্ভব না তাই অনেক প্লাগিন আছে যেটা কোন ছবি আপলোড এর সময় সাইজ অনেক কমিয়ে দেয় অটোমেটিক ভাবে। যেমন, Smush.it, Pngcrush এবং Imagemagick অন্যতম।
৭। Style sheets (স্টাইল সীট) সবসময় হেডার এ এবং স্ক্রিপ্ট ফাইল সবসময় ফুটার এ রাখার চেষ্টা করা। এর উপর সাইট এর স্পীড অনেক খানি নির্ভর করে।
৮। কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) ব্যাবহারের চেষ্টা করা এতে সাইট এর স্পীড অনেক বেড়ে যায়। তবে এটা সবার পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
৯। অ্যাপ্লিকেশান এর সাথে ডাটাবেস এর কানেকশান ভালো ভাবে ওপেন এবং ক্লোজ করা।
১০। যদি ওয়ার্ডপ্রেসের সাইট হয় তাহলে উল্টা পাল্টা প্লাগইন ব্যাবহার না করা। প্লাগইন ব্যাবহারের আগে ঐ প্লাগইন সম্পর্কে কমেন্ট পড়ে নিতে পারেন।
আরও অনেক ব্যাপার আছে তবে আপনি যদি উপরের গুলো ও করতে পারেন আশা করা যায় আপনার সাইট এর স্পীড নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।

আপনার পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করবেন কিভাবে?

আপনার পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করবেন কিভাবে? 

আপনি কি আপনার পাসওয়ার্ড নিয়ে চিন্তিত? কিংবা পাসওয়ার্ড নিয়ে ঠিক সন্তুষ্ট না যে এটা কতটা নিরাপদ? বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নিবার্চন। দেখা গেল হ্যাকাররা আপনার রেজিস্ট্রেশন করা একটি সাইট থেকে পাসওয়ার্ড হ্যাস (hash) হ্যাক করে নিয়ে গেল। আপনার পাসওয়ার্ডটি যদি শক্তিশালী হয় তাহলে তাকে আসল পাসওয়ার্ড বের করতে বেশ বেগ পেতে হবে।
একটি কথা মনে রাখবেন, এই পৃথিবীর সকল পাসওয়ার্ডই ভাঙ্গা সম্ভব – কিন্তু সেটা ভাঙ্গতে কতটা সময় লাগবে, সেটাই হলো সিকিউরিটি। আরেক ভাবে বললে, চিন্তা করুন আপনার ঘরের তালাটির কথা। যত শক্ত তালাই আপনি লাগান না কেন, সেটা কিন্তু ভাঙ্গা যাবেই। তবে ভারী তালা লাগালে সেটা ভাঙ্গতে একটু বেশি সময় লাগবে, ততক্ষণে আশেপাশের লোকজন চলে আসবে। চোর ধরা পড়ে যাবে।

শুড আই চেঞ্জ মাই পাসওয়ার্ড – এই সাইটটি আপনাকে আপনার পাসওয়ার্ড নিয়ে দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও দূর করবে।
লিঙ্কে ক্লিক করে সাইটে যান, এরপর বক্সটিতে আপনার মেইল এড্রেস দিয়ে চেক ইট বাটনে ক্লিক করুন
রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করুন।
দেখুন এখানে সবুজ সিগন্যাল দিচ্ছে, তারমানে আমার পাসওয়ার্ড নিরাপদ, আপনিও আপনার পাসওয়ার্ড চেক করে নিন।
এবার আসুন পাসওয়ার্ড বিষয়ক কিছু সাজেশন দেয়া যাক: পাসওয়ার্ডের আবার দুর্বল/শক্তিশালী কি?!!
ধরি আপনার পাসওয়ার্ড ১ ডিজিটের এবং আপনি শুধু সংখ্যা ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার পাসওয়ার্ড সর্বোচ্চ ১০ চেষ্টাতেই ব্রেক করা সম্ভব [০,১,২ এভাবে ৯ পর্যন্ত]। আর যদি ইংরেজি বর্ণ ব্যবহার করেন তাহলে ২৬X২=৫২। দ্বিগুন হবার কারন হচ্ছে ক্যাপিটাল ও স্মল লেটার। আর আলফানিউমেরিক [সংখ্যা + বর্ণ] ব্যবহার করলে ৫২+১০=৬২। তাহলে আপনি যত বড় পাসওয়ার্ডই দেন না কেন কয়েকবছর লাগলেও ব্রেক করা সম্ভব!
কিন্তু আমি তো জানিনা আপনার পাসওয়ার্ড কতটা লম্বা! তাহলে? লেন্থ ১ ধরে শুরু করার পর লেন্থ এক এক করে বাড়ালে একসময় না একসময় পাওয়া যাবেই! হাত দিয়ে তো আর পাসওয়ার্ড দিচ্ছেন না, কাজটা হয় সফটওয়্যার দিয়ে তাই যেমন তাড়াতাড়ি হয় তেমনি যত সময় লাগছে সেটা ফ্যাক্টর না! আর দিন দিন কম্পিউটার অনেক দ্রুতগতির হচ্ছে, তাই হ্যাস ক্রাক অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতির নাম ব্রুটফোর্স এটাক। বোঝায় যাচ্ছে এটা অনেক সময় সাপেক্ষ। যখন কোন উপায় কাজ করে না তখনই শুধুমাত্র এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে এই পর্যন্তুই বলতে হয়।
আরেকটা খুব কমন এটাক হচ্ছে ডিকশানারি এটাক। ডিকশানীতে যেসব শব্দ আছে সেগুলা একে একে ধরে চেক করা হয়। যেমন আপনার পাসওয়ার্ড যদি হয় educated তাহলে আপনি ডিকশানারী এটাকে খুব সহজে ধরা খাবেন।
আরো অনেক কমপ্লেক্স এটাক আছে। কোনটা পছন্দ করা হবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। যাক এ ব্যাপারে অনেক ত্যানা প্যাচায়ে ফেলেছি।
এবার দেখা যাক কিভাবে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা যায়। বুদ্ধিমান পাঠকরা বুঝে গেছেন কয়েকটি জিনিসঃ

১। ইংরেজি ডিকশানারীর কোন শব্দ ব্যবহার করা যাবেনা
২। পাসওয়ার্ড লেন্থ যত বড় হয় তত ভাল
৩। লেটার ডিজিটের বাইরে স্পেশাল ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে হবে, যেমন !@#$% ইত্যাদি।

এখন দেখা যাক কিভাবে শক্তিশালী কিন্তু সহজে মনে রাখা যায় এমন পাসওয়ার্ড তৈরী করা যায়। বুঝতেই পারছেন শক্তিশালী এবং সহজ দুটি জিনিস ব্যাস্তানুপাতিক!
প্রথমে আমরা একটি বাংলা শব্দ নেই এবং সেটাকে বাংরেজিতে লেখি। যেমন, vatkhabo. এবার a কে @, t কে 1 আর o কে 0 [zero] দিয়ে রিপ্লেস করি। তাহলে দাড়ালো কি? v@1kh@b0. হয়ে গেল শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, অনেক সহজেই
এবার চাইলে এখান থেকে (পাসওয়ার্ড মিটার.কম) শক্তি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
vatkhabo = 9%
v@1kh@b0 = 71%
আর কিছুদিন পর পর (অন্তত তিন থেকে ছয় মাস) পাসওয়ার্ডটি পাল্টিয়ে ফেলবেন। আর পাল্টানোর সময় পুরনো পাসওয়ার্ড আবার ব্যবহার করবেন না যেন। একই পাসওয়ার্ড দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটা হ্যাক হবার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস

পাসওয়ার্ড বিষয়ে সাধারণ কিছু টিপস 

ইন্টারনেট এখন শুধু ব্যক্তিগত বা বিনোদনমূলক তথ্য সংগ্রহে ব্যবহার হয় তা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদানে ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার দিকটায় গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে আগে প্রয়োজন পাসওয়ার্ডের সুরক্ষা। পাসওয়ার্ড বিষয়ে দেয়া হলো সাধারণ কিছু টিপস
হোন পাসওয়ার্ড ব্যবহারে
১. অনেকে সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। এটি বিপজ্জনক। যদি এটি কেউ জেনে যায় তবে আপনার কাজের সব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা তার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
২. পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করতে শুধু নাম না দিয়ে তাতে সংখ্যা ও বিভিন্ন সাঙ্কেতিক চিহ্ন যুক্ত করুন। যেমন- Opurba123456%%%%###
৩. প্রতিটি ওয়েবসাইটে লগইনের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৪. অনলাইন ব্যাংকিংয়ের জন্য তৈরি পাসওয়ার্ডে শেষে যুক্ত করুন @ss1B39bk । এভাবে অ্যাকাউন্টের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকম সাঙ্কেতিক শব্দ যুক্ত করতে পারেন।
৫. একেক মাসে ব্যবহার করুন একেক পাসওয়ার্ড। তাতে জানুয়ারির জন্য A, ফেব্রুয়ারির জন্য B, মার্চের জন্য C হতে পারে।
৬. অনেকদিন ধরে কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহার না হলে তার পাসওয়ার্ডেও আনতে পারেন পরিবর্তন। তাতে যুক্ত করতে পারেন ‘XX
৭. কোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার শেষ হলে তা অবশ্যই লগ অফ করুন।
৮. হালনাগাদ অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন ও কি লগার্স এড়িয়ে চলুন।
৯. নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না এমন কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১০. কারও সঙ্গে পাসওয়ার্ড বিনিময় করবেন না বা কাউকে নিজের পাসওয়ার্ড জানাবেন না।

কনো সফটওয়্যার ছারাই ফেসবুকের সোর্স কোডিং

কনো সফটওয়্যার ছারাই ফেসবুকের সোর্স কোডিং থেকে খুজে দেখে নিন কে আপনার ফেসবুক প্রোফাইল ভিসিট করছে 

আমাদের ফেসবুক প্রোফাইলে নিয়মিত কেউ না কেউ ভিজিট করছে। আপনাকে কেউ হয়তবা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইনি কিংবা পাঠাতে ইতস্তত বোধ করছে আপনি সেটা জানেন না, এমনও হতে পারে আপনাদের খুব পছন্দের কেউ। আপনি যদি জানতে পারেন হয়তো অনেক কিছুই ঘটতে পারে। এই পোস্টটি ভালোভাবে খেয়াল করলে আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন কারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে।
১| প্রথমে আপনার ফেইসবুক প্রোফাইল লগইন করুন।
২।  ctrl+u বাটনে চাপ দিন। দেখবেন নতুন একটি পেজ ওপেন হয়েছে।
৩। তারপর ctrl+f বাটনে চাপ দিন।  দেখেবেন একটি সার্চ বক্স  খুলে গেছে পেজটির  কোনায়। এখন সার্চ বক্সে  {“list”: লিখে কীবোর্ডের Enter চাপুন।
প্রোফাইল
৪। {“list”: এর পাশেই দেখবেন “123456789″ ধরনের কিছু নাম্বার দেখাচ্ছে। এটাই হল সেই আইডিদের কোড যারা আপনার প্রোফাইল ভিজিট করছে। সবার প্রথমেই যে আইডিটি থাকবে সেই আপনার প্রোফাইল সবচেয়ে বেশি ভিজিট করে। এরপর দ্বিতীয়, তৃতীয় এইভাবে।
৫।কিন্তু এই কোড দিয়ে কিভাবে তাদের প্রোফাইল চেক করবেন তাই ভাবছেন? কোডটি কপি করুন এবং বসিয়ে দিন এইভাবে https://www.facebook.com/123456789 । এইবার Enter চাপুন।
৬। Enter চাপার সাথে সাথেই দেখতে পাবেন কে কে আপনার প্রোফাইল ভিজিট করেছে।

SEO নিয়ে কাজ করছেন?

SEO নিয়ে কাজ করছেন? তাহলে নিন ৪০ টি ব্লগ সাইট যেখানে আপনি এসইও নিয়ে গবেষনা চালিয়ে যেতে পারবেন 

এস ই ও নিয়ে কাজ করতে হলে সবসময়ই আপডেটেট ইনফরমেশন গুলো জানতে হয়।কিন্ত কোথায় থেকে এই ইনফরমেশন পাওয়া যাবে ? এই জন্য এস ই ও এর বিভিন্ন ব্লগসাইট গুলো নিয়মিত ভিজিট করতে হবে এবং পড়াশুনা করতে হবে।আমি এখানে ৪০ টি এস ই ও ব্লগ সাইট আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।আশাকরি সবার কাজে লাগবে।
এস ই ও
1. The Moz Blog
Blog: http://moz.com/blog
Twitter: @moz
2. Search Engine Land
Blog: http://searchengineland.com/
Twitter: @sengineland
3. QuickSprout
Blog: http://www.quicksprout.com/blog/
Twitter: @neilpatel
4. YouMoz
Blog: http://moz.com/ugc
Twitter: @moz
5. Matt Cutts
Blog: http://www.mattcutts.com/blog/
Twitter: @mattcutts
6. SEOBOOK
Blog: http://www.seobook.com/blog
Twitter: @seobook
7. Rand Fishkin
Blog: http://moz.com/rand/
Twitter: @randfish
8. Search Engine Watch
Blog: http://searchenginewatch.com/
Twitter: @sewatch
9. Search Engine Journal
Blog: http://www.searchenginejournal.com/
Twitter: @sejournal
10. Bruce Clay
Blog: http://www.bruceclay.com/blog
Twitter: @BruceClayInc
11. SEO by the Sea
Blog: http://www.seobythesea.com/
Twitter: @bill_slawski
12. Search Engine Roundtable
Blog: http://www.seroundtable.com/
Twitter: @seroundtable
13. Digital Relevance
Blog: http://relevance.com/blog
Twitter: @drelevance
14. Daily SEO Blog
Blog: http://www.dailyseoblog.com/
Twitter: @ManiKarthik
15. Copyblogger
Blog: http://www.copyblogger.com/blog
Twitter: @copyblogger
16. David Naylor
Blog: http://www.davidnaylor.co.uk/
Twitter: @davenaylor
17. Daily SEO Tip
Blog: http://dailyseotip.com/
Twitter: @DailySEO
18. UpCity
Blog: http://upcity.com/blog
Twitter: @upcityinc
19. SEO Theory
Blog: http://www.seo-theory.com/
Twitter: @seo_theory
20. ClickZ
Blog: http://www.clickz.com/category/search/seo
Twitter: @clickz
21. Marketing Pilgrim
Blog: http://www.marketingpilgrim.com/category/search-marketing
Twitter: @MarketingPilgrm
22. Search Engine Guide
Blog: http://www.searchengineguide.com/
Twitter: @sewatch
23. REELSEO
Blog: http://www.reelseo.com/
Twitter: @reelseo
24. Higher Visibility
Blog: http://www.highervisibility.com/blog
Twitter: @highervis
25. Yoast
Blog: http://yoast.com/cat/seo
Twitter: @yoast
26. John Battelle’s Search Blog
Blog: http://battellemedia.com/
Twitter: @johnbattelle
27. BacklinkO
Blog: http://backlinko.com/
Twitter: @Backlinko
28. OptimizePrime
Blog: http://optimizepri.me/
Twitter: @OptimizePrime
29. SEOno
Blog: http://seono.co.uk/category/seo
Twitter: @steviephil
30. WordStream
Blog: http://www.wordstream.com/blog
Twitter: @wordsteam
31. Zazzle Media
Blog: http://www.zazzlemedia.co.uk/blog
Twitter: @zazzlemedia
32. Koozai
Blog: http://www.koozai.com/blog/category/search-marketing
Twitter: @koozai
33. SEO Nick
Blog: http://www.seonick.net/seo
Twitter: @nick_eubanks
34. Kaiser the Sage
Blog: http://kaiserthesage.com/
Twitter: @kaiserthesage
35. DejanSEO
Blog: http://dejanseo.com.au/blog
Twitter: @dejanseo
36. Small Business Online Coach
Blog: http://www.smallbusinessonlinecoach.com/blog
Twitter: @smbusinesscoach
37. iAcquire
Blog: http://www.iacquire.com/blog/category/seo-2
Twitter: @iacquire
38. David Leonhardt’s SEO and Social Media Marketing
Blog: http://www.seo-writer.com/blog
Twitter: @amabaie
39. siegemedia
Blog: http://www.siegemedia.com/blog
Twitter: @siegemedia
40. SEO Gadget
Blog: http://seogadget.com/category/seo/
Twitter: @seogadget