উইন্ডোজে যে বিল্ট-ইন ফাইল ট্রান্সফার সিস্টেম থাকে সেটা সাধারণত অনেক
ধীর গতিতে কাজ করে। যারা বড় মিডিয়া ফাইল ট্রান্সফার করছেন, কিংবা যারা একটি
নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত পিসিতে ফাইল শেয়ার করতে চান তাদের জন্য এই ধীর গতি
একটি চরম বিরক্তিকর ব্যাপার। দ্রুত ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য তাই আপনি
ব্যবহার করতে পারেন ‘টেরাকপি’ অ্যাপ।
প্রথম ধাপঃ
শুরুতেই টেরাকপি ডাঊনলোড করে ইন্সটল করে নিন এখান থেকে।
দ্বিতীয় ধাপঃ
কাঙ্ক্ষিত ফাইল নিয়ে আসুন টেরাকপিতে (‘ড্রাগ এন্ড ড্রপ’) । রাইট ক্লিক করে ফাইল সিলেক্ট করতে পারেন।

তৃতীয় ধাপঃ
নতুন উইন্ডোতে টেরাকপি খুলুন এবং উপরের দিকে মাঝে দেখুন কপি আইকন রয়েছে, এতে ক্লিক করুন।
চতুর্থ ধাপঃ
ব্রাউজ অপশন সিলেক্ট করে আপনি গন্তব্য ঠিক করে নিতে পারবেন।

পঞ্চম ধাপঃ
গন্তব্য ঠিক করে দিলেই টেরাকপি ট্রান্সফার শুরু করবে। ট্রান্সফার উইন্ডো থেকে “Always Ask to choose file replacement” অপশনে ক্লিক করতে পারেন। এখানে ‘ডিফল্ট’ অপশন ব্যবহার করা হয়েছে, তবে প্রয়জনে আপনি পছন্দমত অপশন নির্বাচন করতে পারবেন।
ষষ্ঠ ধাপঃ
কপি হয়ে যাবার পর টেরাকপি কি করবে সে নির্দেশনা দিতে উপরের ডানদিকে থাকা যে কোন একটি সিলেক্ট করুন। এক্ষেত্রে অনেকগুলো অপশন পাচ্ছেন আপনি।
সপ্তম ধাপঃ
মেনু বাটন থেকে আপনি ঢুকতে পারেন ‘টেরাকপি প্রিফারেন্সেস’ অপশনে। এক্ষেত্রেও ডিফল্ট সেটিংস থাকবে তবে আপনি চাইলে অপশনগুলি পরিবর্তন করে নিতে পারেন ইচ্ছে মত ।

তো এভাবে টেরাকপি ব্যবহার করে দ্রুত ফাইল ট্রান্সফার করতে পারেন। সবচে’ আনন্দের কথা হচ্ছে কোন ভুল বা সমস্যা দেখা দিলেও এই সফটওয়ার বন্ধ হয়ে যায় না। তাই এর মাধ্যমে ফাইল ট্রান্সফার করার সময় আপনার নজরদারির প্রয়োজন থাকছে না!
প্রথম ধাপঃ
শুরুতেই টেরাকপি ডাঊনলোড করে ইন্সটল করে নিন এখান থেকে।
দ্বিতীয় ধাপঃ
কাঙ্ক্ষিত ফাইল নিয়ে আসুন টেরাকপিতে (‘ড্রাগ এন্ড ড্রপ’) । রাইট ক্লিক করে ফাইল সিলেক্ট করতে পারেন।
তৃতীয় ধাপঃ
নতুন উইন্ডোতে টেরাকপি খুলুন এবং উপরের দিকে মাঝে দেখুন কপি আইকন রয়েছে, এতে ক্লিক করুন।
চতুর্থ ধাপঃ
ব্রাউজ অপশন সিলেক্ট করে আপনি গন্তব্য ঠিক করে নিতে পারবেন।
পঞ্চম ধাপঃ
গন্তব্য ঠিক করে দিলেই টেরাকপি ট্রান্সফার শুরু করবে। ট্রান্সফার উইন্ডো থেকে “Always Ask to choose file replacement” অপশনে ক্লিক করতে পারেন। এখানে ‘ডিফল্ট’ অপশন ব্যবহার করা হয়েছে, তবে প্রয়জনে আপনি পছন্দমত অপশন নির্বাচন করতে পারবেন।
ষষ্ঠ ধাপঃ
কপি হয়ে যাবার পর টেরাকপি কি করবে সে নির্দেশনা দিতে উপরের ডানদিকে থাকা যে কোন একটি সিলেক্ট করুন। এক্ষেত্রে অনেকগুলো অপশন পাচ্ছেন আপনি।
সপ্তম ধাপঃ
মেনু বাটন থেকে আপনি ঢুকতে পারেন ‘টেরাকপি প্রিফারেন্সেস’ অপশনে। এক্ষেত্রেও ডিফল্ট সেটিংস থাকবে তবে আপনি চাইলে অপশনগুলি পরিবর্তন করে নিতে পারেন ইচ্ছে মত ।
তো এভাবে টেরাকপি ব্যবহার করে দ্রুত ফাইল ট্রান্সফার করতে পারেন। সবচে’ আনন্দের কথা হচ্ছে কোন ভুল বা সমস্যা দেখা দিলেও এই সফটওয়ার বন্ধ হয়ে যায় না। তাই এর মাধ্যমে ফাইল ট্রান্সফার করার সময় আপনার নজরদারির প্রয়োজন থাকছে না!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন